advertisement

LPG Cylinder: ১৪.২ কেজির জায়গায় ১০ কেজি! কমে যেতে পারে সিলিন্ডারে থাকা গ্য়াসের পরিমাণ...কী বলছেন সংস্থার কর্তারা

Last Updated:
LPG Cylinder: রবিবার আবারও ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প৷ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের কাছে যথেষ্ট তগবিল রয়েছে, যুদ্ধ এখন চলবে৷ পাল্টা ইরানও জানিয়েছে, তারা তৈরি
1/6
নিকট ভবিষ্যতে মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতির সম্ভাবনা না থাকায় LPG নিয়ে একটা নতুন ধরনের পরিকল্পনা করতে চলেছে রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন সংস্থাগুলি৷ অদূর ভবিষ্যতে যাতে LPG ঘাটতি সংক্রান্ত সমস্যা না হয়, সেই কারণে ‘রেশনিং’ সিস্টেম আনার পরিকল্পনা করছে তাঁরা৷
নিকট ভবিষ্যতে মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতির সম্ভাবনা না থাকায় LPG নিয়ে একটা নতুন ধরনের পরিকল্পনা করতে চলেছে রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন সংস্থাগুলি৷ অদূর ভবিষ্যতে যাতে LPG ঘাটতি সংক্রান্ত সমস্যা না হয়, সেই কারণে ‘রেশনিং’ সিস্টেম আনার পরিকল্পনা করছে তাঁরা৷
advertisement
2/6
সম্প্রতি দ্য ইকোনমিক টাইমস- এ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে৷ প্রতিবেদনে উদ্ধৃত একজন কর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে পণ্য চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় গ্যাস সংরক্ষণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷ হরমুজ প্রণালিতে সমস্যার জেরে ভারতীয় বাজারে প্রাথমিক ভাবে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার নিয়ে ঘাটতি দেখা গিয়েছে৷ গৃহস্থালীর ক্ষেত্রে যাতে তেমন কোনও সমস্যা না হয়, তাই এ নিয়ে আগেভাগেই পরিকল্পনা করতে চাইছে তারা৷
সম্প্রতি দ্য ইকোনমিক টাইমস- এ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে৷ প্রতিবেদনে উদ্ধৃত একজন কর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে পণ্য চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় গ্যাস সংরক্ষণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷ হরমুজ প্রণালিতে সমস্যার জেরে ভারতীয় বাজারে প্রাথমিক ভাবে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার নিয়ে ঘাটতি দেখা গিয়েছে৷ গৃহস্থালীর ক্ষেত্রে যাতে তেমন কোনও সমস্যা না হয়, তাই এ নিয়ে আগেভাগেই পরিকল্পনা করতে চাইছে তারা৷
advertisement
3/6
ওই কর্তা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হল জ্বালানি সংরক্ষণ করা এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা করা৷ ভারতের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশের জন্য আমদানির উপর নির্ভর করে হরমুজ প্রণালির উপরে৷ সাম্প্রতিককালে সেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় এলপিজি আসার গতি তীব্রভাবে কমে গেছে। বর্তমানে ভারতীয় বন্দরগুলির দিকে কোনও নতুন চালান আসছে বলে জানা যায়নি, অন্যদিকে গত সপ্তাহে মাত্র সীমিত সংখ্যক জাহাজ হরমুজ পার হতে পেরেছে৷ যা দিয়ে জাতীয় চাহিদার মাত্র একদিন মেটানো সম্ভব হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ভারতগামী বেশ কয়েকটি এলপিজিবাহী জাহাজও ছাড়পত্রের জন্য পারস্য উপসাগরে অপেক্ষা করছে।
ওই কর্তা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হল জ্বালানি সংরক্ষণ করা এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা করা৷ ভারতের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশের জন্য আমদানির উপর নির্ভর করে হরমুজ প্রণালির উপরে৷ সাম্প্রতিককালে সেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় এলপিজি আসার গতি তীব্রভাবে কমে গেছে। বর্তমানে ভারতীয় বন্দরগুলির দিকে কোনও নতুন চালান আসছে বলে জানা যায়নি, অন্যদিকে গত সপ্তাহে মাত্র সীমিত সংখ্যক জাহাজ হরমুজ পার হতে পেরেছে৷ যা দিয়ে জাতীয় চাহিদার মাত্র একদিন মেটানো সম্ভব হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ভারতগামী বেশ কয়েকটি এলপিজিবাহী জাহাজও ছাড়পত্রের জন্য পারস্য উপসাগরে অপেক্ষা করছে।
advertisement
4/6
সাধারণত, একটি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার একটি গড়পড়তা পরিবারে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ দিন চলে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন যে, এটি ১০ কেজির রিফিল দিয়েও প্রায় এক মাস চালানো যেতে পারে৷ যা কর্তৃপক্ষকে এই সংকটকালে গ্যাসের সীমিত সরবরাহ আরও সুষমভাবে বিতরণ করতে সাহায্য করবে।
সাধারণত, একটি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার একটি গড়পড়তা পরিবারে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ দিন চলে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন যে, এটি ১০ কেজির রিফিল দিয়েও প্রায় এক মাস চালানো যেতে পারে৷ যা কর্তৃপক্ষকে এই সংকটকালে গ্যাসের সীমিত সরবরাহ আরও সুষমভাবে বিতরণ করতে সাহায্য করবে।
advertisement
5/6
তবে এই ব্যবস্থাটি চালু করা হলে, সিলিন্ডারগুলোতে কম পরিমাণের উল্লেখ করে সংশোধিত লেবেল রাখতে হবে এবং সেই অনুযায়ী দামও ঠিক করতে হবে। তবে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
তবে এই ব্যবস্থাটি চালু করা হলে, সিলিন্ডারগুলোতে কম পরিমাণের উল্লেখ করে সংশোধিত লেবেল রাখতে হবে এবং সেই অনুযায়ী দামও ঠিক করতে হবে। তবে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
advertisement
6/6
দ্য ইকোনমিক টাইমস- এর ওই প্রতিবেদন অনুসারে, এই প্রস্তাবে সাধারণ ১৪.২-কেজি সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজির বদলে ১০ কেজি এলপিজি ভরার কথা বলা হয়েছে৷ যাতে বর্তমান সংকটের সময়ে সরবরাহ আরও বেশি পরিবারের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হয়৷
দ্য ইকোনমিক টাইমস- এর ওই প্রতিবেদন অনুসারে, এই প্রস্তাবে সাধারণ ১৪.২-কেজি সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজির বদলে ১০ কেজি এলপিজি ভরার কথা বলা হয়েছে৷ যাতে বর্তমান সংকটের সময়ে সরবরাহ আরও বেশি পরিবারের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হয়৷ বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের জন্য আংশিক LPG বরাদ্দ পুনরায় শুরু হওয়ায় সরবরাহের উপর চাপ বেড়েছে, যার ফলে মজুত আরও কমে এসেছে। এদিকে, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের কর্তারা উদ্বেগ স্বীকার করে পরিস্থিতিকে “উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেছেন৷ একইসঙ্গে জানিয়েছেন যে, আপাতত গৃহস্থালির গ্যাসের সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তাঁরা সতর্ক করেছেন যে, এই সংকট অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহগুলোতে সরবরাহের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement