advertisement

Plan B For Gas Cylinder: সর্বনাশ এবার কী করবেন, গ্যাস সিলিন্ডার যোগান দিতে নাজেহাল, এবার ১০ কেজির সিলিন্ডার নামাবে

Last Updated:
Plan B For Gas Cylinder: ভারত তার এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। এর এলপিজি সরবরাহের ৯০ শতাংশই আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে।
1/5
কলকাতা: এবার ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে প্ল্যান বি রেডি৷  মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় ভারতের তেল ও গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশে এলপিজির মজুত কমে আসায়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল সংস্থাগুলো (ওএমসি) এখন গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত ১৪.২ কিলোগ্রামের সিলিন্ডারে মাত্র ১০ কিলোগ্রাম গ্যাস ভরার কথা বিবেচনা করছে। মানি কন্ট্রোলের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই কৌশলের প্রধান উদ্দেশ্য হল স্বল্প পরিমাণে থাকা গ্যাসকে সর্বাধিক সংখ্যক পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া। Photo- Representative 
কলকাতা: এবার ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে প্ল্যান বি রেডি৷  মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় ভারতের তেল ও গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশে এলপিজির মজুত কমে আসায়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল সংস্থাগুলো (ওএমসি) এখন গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত ১৪.২ কিলোগ্রামের সিলিন্ডারে মাত্র ১০ কিলোগ্রাম গ্যাস ভরার কথা বিবেচনা করছে। মানি কন্ট্রোলের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই কৌশলের প্রধান উদ্দেশ্য হল স্বল্প পরিমাণে থাকা গ্যাসকে সর্বাধিক সংখ্যক পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া। Photo- Representative
advertisement
2/5
কোম্পানির হিসাব অনুসারে, একটি ১৪.২ কেজি সিলিন্ডার গড়ে ৩৫-৪০ দিন চলে। অন্যদিকে, একটি ১০ কেজি সিলিন্ডার প্রায় এক মাস চলতে পারে। এই সাশ্রয়ের ফলে যে গ্যাস বাঁচবে, তা সেইসব পরিবারের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করা যেতে পারে, যাদের সিলিন্ডার প্রায় শেষ হয়ে আসছে। এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সিলিন্ডারগুলোতে নতুন স্টিকার লাগানো হবে এবং ওজনের অনুপাতে সেগুলোর দামও কমানো হবে।
কোম্পানির হিসাব অনুসারে, একটি ১৪.২ কেজি সিলিন্ডার গড়ে ৩৫-৪০ দিন চলে। অন্যদিকে, একটি ১০ কেজি সিলিন্ডার প্রায় এক মাস চলতে পারে। এই সাশ্রয়ের ফলে যে গ্যাস বাঁচবে, তা সেইসব পরিবারের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করা যেতে পারে, যাদের সিলিন্ডার প্রায় শেষ হয়ে আসছে। এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সিলিন্ডারগুলোতে নতুন স্টিকার লাগানো হবে এবং ওজনের অনুপাতে সেগুলোর দামও কমানো হবে।
advertisement
3/5
এলপিজির ৯০ শতাংশ উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে।ভারত তার এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। এর এলপিজি সরবরাহের ৯০ শতাংশই আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। বর্তমানে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে এলপিজি চালানের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এলপিজির ৯০ শতাংশ উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে।ভারত তার এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। এর এলপিজি সরবরাহের ৯০ শতাংশই আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। বর্তমানে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে এলপিজি চালানের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
advertisement
4/5
গত সপ্তাহে মাত্র দুটি জাহাজ গ্যাস এনেছে। মোট ৯২,৭০০ টন এলপিজি এসেছে, যা ভারতের দৈনিক ব্যবহারের সমান। বর্তমানে, ছয়টি ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার পারস্য উপসাগরে পথের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে। ইরানের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তা এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
গত সপ্তাহে মাত্র দুটি জাহাজ গ্যাস এনেছে। মোট ৯২,৭০০ টন এলপিজি এসেছে, যা ভারতের দৈনিক ব্যবহারের সমান। বর্তমানে, ছয়টি ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার পারস্য উপসাগরে পথের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে। ইরানের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তা এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
advertisement
5/5
দৈনিক ব্যবহার ৯৩,৫০০ টন।ভারতে দৈনিক এলপিজি ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ৯৩,৫০০ টন। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ বা প্রায় ৮০,৪০০ টন গার্হস্থ্য গ্রাহকরা ব্যবহার করেন। মার্চ মাসের প্রথম পাক্ষিকে সামগ্রিক ব্যবহার ১৭ শতাংশ কমেছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা পরিস্থিতিটিকে 'উদ্বেগজনক' বলে বর্ণনা করেছেন এবং গ্যাস সাশ্রয়ের পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও সরকার দাবি করছে যে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিয়মিত রয়েছে, জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
দৈনিক ব্যবহার ৯৩,৫০০ টন।ভারতে দৈনিক এলপিজি ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ৯৩,৫০০ টন। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ বা প্রায় ৮০,৪০০ টন গার্হস্থ্য গ্রাহকরা ব্যবহার করেন। মার্চ মাসের প্রথম পাক্ষিকে সামগ্রিক ব্যবহার ১৭ শতাংশ কমেছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা পরিস্থিতিটিকে 'উদ্বেগজনক' বলে বর্ণনা করেছেন এবং গ্যাস সাশ্রয়ের পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও সরকার দাবি করছে যে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিয়মিত রয়েছে, জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
advertisement
advertisement
advertisement