ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনটি সিপিআই-কে ছেড়েছে সিপিএম৷ বামফ্রন্টের তরফে এবার সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন শান্তি গিরি৷ কিন্তু, পূর্ব প্রতিশ্রুতি মতো নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ৷ এখানে তাদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মহম্মদ সবে মিরাজ খান৷
আরও পড়ুন :হাওয়া গরম! শওকতের ছেড়ে যাওয়া আসনেই আরাবুল, আর ভাঙড়ে হাইভোল্টেজ ফাইট
advertisement
পাঁশকুড়া পশ্চিম কেন্দ্রে সিপিএমের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি প্রার্থী৷ সেখানে আইএসএফ দাঁড় করিয়েছে নিহত কুরবান শাহের ভাই আফজ়ল আলি শাহকে।
সদ্য তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আসা আরাবুল ইসলামকে ক্যানিং পূর্ব এবং মফিদুল হক শাহজি (মিন্টু)-কে দেগঙ্গায় টিকিট দিয়েছে আইএসএফ।
উত্তর ২৪ পরগনার ৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আইএসএফ। তার মধ্যে অশোকনগরে তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, আমডাঙায় বিশ্বজিৎ মাইতি, মধ্যমগ্রামে প্রিয়াঙ্কা বর্মণ, বাদুড়িয়ায় কুতুবুদ্দিন ফতেহি, হাড়োয়ায় পিয়ারুল ইসলাম এবং বসিরহাট উত্তরে মুছা করিমুল্লা প্রার্থী।
এদিকে, সোমবার আইএসএফের ঘোষিত ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতটি হিন্দু মুখ। হিসেবমতো ৩০ শতাংশের বেশি। অশোকনগরের তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, আমডাঙায় বিশ্বজিৎ মাইতি, মধ্যমগ্রামের প্রিয়াঙ্কা বর্মন ছাড়াও শালবনিতে শিক্ষক পীযূষ হাঁসদা, বারাবনিতে বিশ্বজিৎ বাউড়ি ও বোলপুরে অধ্যাপক বাপি সরেন লড়বেন আইএসএফের হয়ে।
নওসাদ বলেছেন, ‘‘বিজেপি ও তৃণমূলকে হারাতে চাই। আমরা ৭ মাস ধরে আলোচনা চালিয়েছি। যেখানে বামফ্রন্ট শক্তিশালী, সেখানে আমরা তাদের সমর্থন করব এবং ষেখানে আইএসএফ পারবে বিজেপি ও তৃণমূলের সঙ্গে টক্কর দিতে, সেখানে বামেরা আমাদের সমর্থন করবে— এটাই চেয়েছি। শেষ মুহূর্তেও কথা বলেছি। তবু সমস্যা মেটানোর জন্য দু’টো দিন হাতে রাখলাম। আমরা বুধবার বাকি তালিকা ঘোষণা করব।’’ উত্তর ২৪ পরগনা প্রসঙ্গে নওসাদের যুক্তি, আগে তাঁরা যে সব আসনে লড়েছেন, সেখানেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বাদুড়িয়া আগের বার ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল নির্দিষ্ট কারণে। তিনি আরও মনে করিয়েছেন, ‘‘কংগ্রেস গত বার প্রায় ১০০ আসনে লড়েছিল। আমরা কিন্তু সেই অনুপাতে আসন দাবি করিনি।’’
