কাশীনগরের চক্রতীর্থ মহাশ্মশান সংলগ্ন এলাকা প্রতি বছর এই মেলা উপলক্ষে সেজে ওঠে। ঐতিহাসিক দিক থেকে বিচার করলে এই মেলার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে চক্রতীর্থ মহাশশ্মানের পাশে আদিগঙ্গার ধারা এখন বিলীন। তবে জৌলুস এখনও রয়ে গিয়েছে। এখনও এখানেই বসে মেলা।
advertisement
প্রতি বছর এই মেলা মিলন মেলায় পরিণত হয়। রকমারি জিনিসপত্র থেকে শুরু করে হাতের কাজের নানা জিনিস, মিষ্টির দোকান সবই থাকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাশীনগরের ঐতিহাসিক নন্দাস্নানের মেলা বৈষ্ণব ও শৈব সংস্কৃতির মিলনস্থল। এই মেলায় স্থানীয়রা গঙ্গারতি, বাউল গান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেতে ওঠেন। অত্যন্ত প্রাচীন এই মেলা স্থানীয়ভাবে ভীষণ জনপ্রিয়। মেলা উপলক্ষ্যে এখানে প্রচুর মানুষজন আসেন।
আদিগঙ্গার ধারা এখন প্রবাহিত না হলেও রয়ে গিয়েছে তার ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এই নিয়ে মেলা কমিটির পক্ষ থেকে গৌরহরি মন্ডল জানিয়েছেন, স্থানীয়দের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকেও বহু মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবে অংশ নিতে আসেন, যা এই মেলার জনপ্রিয়তা ও গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মেলার নিরাপত্তা বন্দোবস্ত জোরদার করতে এই বছর দু’টি থানার পক্ষ থেকে সমস্ত ধরণের আয়োজন করা হয়েছিল। মথুরাপুর ও রায়দিঘি থানার পুলিশকর্মীরা এই মেলা পরিচালনার দায়িত্ব নেন। ফলে এই বছর সুষ্ঠুভাবেই এই মেলা চলছে। কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থী এখানে আসতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।





