একদিকে যেমন খুব সহজে সাধারণ মানুষ পৌঁছে যাচ্ছে তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে, তেমনই লাভ হচ্ছে সরকারের। তবে এই রেলপথের নেপথ্যে রয়েছে অগাধ কাহিনী। একই সরলরেখায় একাধিক স্টেশনে প্রথম থেমেছিল প্যাসেঞ্জার ট্রেন, তাও ১২৫ বছর আগে। ব্রিটিশরা প্রথম বেঙ্গল থেকে নাগপুর পর্যন্ত রেললাইন বিছানোর কাজ শুরু করে। নাম দেওয়া হয় বিএনআর বা বেঙ্গল নাগপুর রেলওয়ে। সেক্ষেত্রে খড়্গপুরের পর নারায়ণগড়, বেলদা অধুনা কন্টাই রোড, দাঁতন ও জলেশ্বর স্টেশনে প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন থামে।
advertisement
প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ শাসনকালে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা ছিল নারায়ণগড়। শুধু তাই নয় বর্তমানে বেলদা তৎকালীন কন্টাই রোড স্টেশন ছিল কাঁথি কিংবা দিঘা এলাকার প্রবেশ পথ। স্বাভাবিকভাবে বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর ও তৎকালীন অবিভক্ত মেদিনীপুরের সৈকত শহরের দিকে তাকিয়ে বেলদাতেই গড়ে তোলা হয় কন্টাই রোড স্টেশন। একইভাবে দাঁতন ছিল বৃটিশদের মূল ঘাঁটি। পরবর্তীতে ওড়িশা এবং দিকে দিকে অগ্রসর হয়েছে তারা।
আরও পড়ুনঃ ফেব্রুয়ারি শেষের আগেই বাগানে ৮ সবজির বীজ ছড়ান, সারা গরম তাজা সবজিতে ভরবে বাগান, বাজারে যেতে হবে না
রেলপথ বিছানোর পর, ১৮৯৯ সালে মালগাড়ি চলাচল করলেও প্রথম যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয় ১৯০১ সালে। যা আজ থেকে প্রায় ১২৫ বছর আগের স্মৃতি। হাওড়া থেকে ছেড়ে আসা এই ট্রেন খড়্গপুরের পর থেমেছিল একই সরলরেখায় নারায়ণগড়, কন্টাই রোড বা বেলদা, দাঁতন, জলেশ্বর স্টেশনে। সেই সময়ের ব্রিটিশদের তৈরি স্টেশন আজ ভেঙে পরিবর্তিত হয়েছে নতুন স্টেশনে। অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন স্টেশন। চলছে কারুকার্য। তবে এখনও সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বহন করে চলেছে এই সমস্ত স্টেশনগুলি।





