advertisement

Birbhum News: মানুষের থেকে লম্বা কলার কাঁদি, ইয়া বড় বড় বেগুন, লাউ, মুলো! দেখার জন্য হামলে পড়ছে মানুষ

Last Updated:
Birbhum News: শান্তিকেতনের পাশেই আবার নতুন মেলা। কিন্তু নেই বিশাল নিরাপত্তার বহর, নেই শহুরে সাজসজ্জা। এই মেলায় সবজি দেখে চোখ কপালে উঠবে। বহু পুরনো এই মেলার আয়োজনে থাকে বিশ্বভারতী।
1/5
এইদিন থেকে প্রথা মেনে শুরু হয়ে গেল শুরু হয়ে গেল শ্রীনিকেতন মাঘমেলা। মেলার বিশেষ আকর্ষণে প্রতিবারই থাকে সবজির এক্সিবিশন। এই এক্সিবিশনে এবার বিশেষ আকর্ষণ প্রায় ৮ ফুটের একটি কলার কাঁদি। এই মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ। বিশ্ব বরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের যে দুটি সাধনার কথা জানিয়েছেন, তার একটি শান্তিনিকেতন, অন্যটি শ্রীনিকেতন। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)
এইদিন থেকে প্রথা মেনে শুরু হয়ে গেল শুরু হয়ে গেল শ্রীনিকেতন মাঘমেলা। মেলার বিশেষ আকর্ষণে প্রতিবারই থাকে সবজির এক্সিবিশন। এই এক্সিবিশনে এবার বিশেষ আকর্ষণ প্রায় ৮ ফুটের একটি কলার কাঁদি। এই মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ। বিশ্ব বরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের যে দুটি সাধনার কথা জানিয়েছেন, তার একটি শান্তিনিকেতন, অন্যটি শ্রীনিকেতন। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)
advertisement
2/5
পল্লি-পুনর্গঠনকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে রূপ দিতে ১৯২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কুঠিবাড়িতে শুরু হয়েছিল ‘ইনস্টিটিউট অফ রুরাল রিকনস্ট্রাকশন’-এর কাজ। ঠিক তখনই তৈরি হয় শ্রীনিকেতন। শান্তিনিকেতন থেকে মাইল দু’য়েক দূরে শ্রীনিকেতনেই প্রাণ পেতে থাকল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রামীণ ভাবনা।
পল্লি-পুনর্গঠনকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে রূপ দিতে ১৯২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কুঠিবাড়িতে শুরু হয়েছিল ‘ইনস্টিটিউট অফ রুরাল রিকনস্ট্রাকশন’-এর কাজ। ঠিক তখনই তৈরি হয় শ্রীনিকেতন। শান্তিনিকেতন থেকে মাইল দু’য়েক দূরে শ্রীনিকেতনেই প্রাণ পেতে থাকল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রামীণ ভাবনা।
advertisement
3/5
পরের বছর অর্থাৎ ১৯২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার হল শ্রীনিকেতনের বার্ষিক উৎসব। সেই থেকেই প্রতিবছর ৬ ফেব্রুয়ারি শ্রীনিকেতনের প্রতিষ্ঠা দিবসে শুরু হয় শ্রীনিকেতন বার্ষিক উৎসব। যা মাঘমেলা কিংবা গ্রামীণ এলাকায় কুঠির মেলা নামে পরিচিত। যে আদর্শ নিয়ে প্রথম শ্রীনিকেতন মেলা শুরু হয়েছিল, এত বছর পরেও সেই ধারা বজায় রেখেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
পরের বছর অর্থাৎ ১৯২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার হল শ্রীনিকেতনের বার্ষিক উৎসব। সেই থেকেই প্রতিবছর ৬ ফেব্রুয়ারি শ্রীনিকেতনের প্রতিষ্ঠা দিবসে শুরু হয় শ্রীনিকেতন বার্ষিক উৎসব। যা মাঘমেলা কিংবা গ্রামীণ এলাকায় কুঠির মেলা নামে পরিচিত। যে আদর্শ নিয়ে প্রথম শ্রীনিকেতন মেলা শুরু হয়েছিল, এত বছর পরেও সেই ধারা বজায় রেখেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
advertisement
4/5
গ্রামীণ মেলা, ঠিক সেই কারণে বোলপুর শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলার মতো নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রাখার প্রয়োজন পড়ে না এই মেলাকে। মেলাতে ঢুকলেই দেখতে পাবেন চারদিকে দোকান। আর ঠিক মাঝখানে অনুষ্ঠান মঞ্চ। সেখানেই তিন দিন ধরে হয় নানা অনুষ্ঠান। যেমন যাত্রা, বাউল ও সুফিদের আসর, কীর্তন, ভাদু, টুসু, ঘেটু, ভাঁজো। আর দেখতে পাবেন নাগরদোলা, হরেক মালের দোকান, খাবারের দোকান এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সবজির দোকান। সাধারণের মধ্যেও অসাধারণত্ব বজায় রেখেছে এই মেলা।
গ্রামীণ মেলা, ঠিক সেই কারণে বোলপুর শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলার মতো নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রাখার প্রয়োজন পড়ে না এই মেলাকে। মেলাতে ঢুকলেই দেখতে পাবেন চারদিকে দোকান। আর ঠিক মাঝখানে অনুষ্ঠান মঞ্চ। সেখানেই তিন দিন ধরে হয় নানা অনুষ্ঠান। যেমন যাত্রা, বাউল ও সুফিদের আসর, কীর্তন, ভাদু, টুসু, ঘেটু, ভাঁজো। আর দেখতে পাবেন নাগরদোলা, হরেক মালের দোকান, খাবারের দোকান এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সবজির দোকান। সাধারণের মধ্যেও অসাধারণত্ব বজায় রেখেছে এই মেলা।
advertisement
5/5
এই মেলা উপলক্ষে বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ জানান
এই মেলা উপলক্ষে বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ জানান " ছাত্র জীবনে এক আলাদা অনুভূতি ছিল তখন মেলায় এসে বিভিন্ন ধরনের খাবার হাতে তুলে খেয়েছি। তবে বর্তমানে আর সেটা সম্ভব না। বিভিন্ন ধরনের বড় আকারের সবজি এসেছে এই মেলায়। আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে যে বীজ পাওয়া যেত, তার থেকে বর্তমানে উন্নতমানের বীজ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সবজির আকার ও বৃদ্ধি হয়েছে।" তাই এখন যদি আপনি বোলপুর শান্তিনিকেতন এসেছেন, তাহলে অবশ্যই এই মেলা থেকে ঘুরে আসুন। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)
advertisement
advertisement
advertisement