তাঁর দাবি, বছরে প্রায় আট মাস বাজারে গিয়ে সবজি কিনতেই হয় না। কারণ, বাড়ির ১২০০ স্কোয়ার ফুট ছাদেই গড়ে তুলেছেন এক পরিপূর্ণ সবজি বাগান। ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, পালং শাক, ধনেপাতা থেকে শুরু করে আদা, পেঁয়াজ, রসুন – কী নেই সেই ছাদ বাগানে। মাছ রাখার বড় বড় কার্টনে চাষ হচ্ছে শাকসবজি। আবার বাঁশের খাঁচা বানিয়ে লাউ, কুমড়ো ও বিভিন্ন প্রজাতির বিনসের চাষ করছেন তিনি। সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে, সার্টিফায়েড বীজ ও প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করেই এই চাষ।
advertisement
পেশায় গ্রন্থাগার কর্মী রাজু রায় ছোটবেলা থেকেই সবজি চাষে আগ্রহী। কর্মসূত্রে জলপাইগুড়িতে এসে ২০১৮ সালে নিজের বাড়ি তৈরির পর ধীরে ধীরে ছাদ বাগানের কাজ শুরু করেন। আজ তা শুধু নিজের পরিবারের চাহিদা পূরণেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিবেশী যুবকদের আয়ের পথও খুলে দিয়েছে। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দু’ঘণ্টা ছাদ বাগানের পরিচর্যা করেন রাজু। তাঁর কর্মস্থলে যাওয়ার পর বাগানের দায়িত্ব সামলান স্ত্রী মমতা রায়। স্বামী-স্ত্রীর যৌথ উদ্যোগেই এই সাফল্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রাজুর দেখানো পথে অনুপ্রাণিত হয়ে ইতিমধ্যেই এলাকার বহু মানুষ ছাদে সবজি চাষ শুরু করেছেন। প্রতিবেশী স্কুল শিক্ষক নারায়ণ বর্মন জানান, রাজুর কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়ে তিনি ছাদ বাগান শুরু করেন এবং গত বছর প্রায় বারো কার্টন আদা উৎপাদন করেন। রাজু রায়ের ছাদ বাগান আজ সবজি চাষ তো বটেই তার সঙ্গে এলাকায় সচেতনতা, স্বনির্ভরতা ও পরিবেশবান্ধব জীবনের যে এক উজ্জ্বল উদাহরণ তা বলাই বাহুল্য।





