সেই কাঁথির মাটিতেই গড়ে উঠেছে এক ঝাঁক তরুণের স্বপ্নের ছবি ‘ইকির মিকির চাম চিকির’। আগামী ১৩ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে এই সিনেমা। কাঁথি টাউন হলে বড় পর্দায় দেখানো হবে ছবিটি। এই ছবির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সদ্য কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে পা রাখা কাঁথির একঝাঁক প্রতিভাবান যুবক-যুবতী। রিয়েল লাইফে তাঁরা ঝড় তুলতে প্রস্তুত। শুধু নতুন মুখ নয়, ছবির সঙ্গে রয়েছেন কাঁথির কয়েকজন প্রতিথযশা ও অভিজ্ঞ গুণী মানুষও। তাঁদের দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতা নতুন শিল্পীদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: পথ ভুলেছে সাইবেরিয়া-চিনের পাখির দল, আগ্রহ কমছে পর্যটকদের! পুরুলিয়ার জনপ্রিয় এই জায়গা এখন ফাঁকা
স্থানীয় কলাকুশলীদের নিয়েই তৈরি হয়েছে এই সিনেমা। তাই এই ছবি শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, এটি কাঁথির তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নপূরণের এক সাহসী প্রয়াস। সীমিত বাজেট ও অল্প পরিকাঠামোর মধ্যেও তাঁরা নিজেদের মেধা ও পরিশ্রমকে পুঁজি করেছেন। ‘ইকির মিকির চাম চিকির’ ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে জীবনের বাস্তব গল্প। বন্ধুত্ব, ভালবাসা, সংগ্রাম এবং স্বপ্নের কথা। ছবির মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে একটি কিডন্যাপিং ঘটনাকে কেন্দ্র করে। বাস্তব জীবনের নানা অনুভূতি এখানে ফুটে উঠেছে সহজ ভাষায়। শুটিং লোকেশন, অভিনয় এবং নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে কাঁথির মাটির গন্ধ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গ্রাম ও শহরের চেনা পরিবেশ ছবিকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। ছবির নাম ও ভাবনা ইতিমধ্যেই কাঁথিজুড়ে কৌতূহল তৈরি করেছে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই শহরে আলোচনা তুঙ্গে। ছবির পরিচালক অর্কপ্রভ পণ্ডা কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজ থেকে ২০২৫ সালে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর পাশ করেছে। পড়াশোনা শেষ করেই তার লক্ষ্য ছিল নিজের ছবি তৈরি করা। চাকরি করার পথে হাঁটেন নি তিনি। দীর্ঘ দেড় বছরের নিরলস পরিশ্রমে তৈরি হয়েছে এই পূর্ণদৈর্ঘ্যের সিনেমা। কোনও বড় প্রশিক্ষণ বা ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা ছাড়াই তিনি এই কাজ করে দেখিয়েছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, শুধু কলকাতা নয়, জেলার ছেলেরাও ইচ্ছাশক্তি থাকলে বড় সিনেমা বানাতে পারে। কাঁথির এই তরুণ পরিচালকের সাফল্য এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা।





