পূর্ত দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়ার্ক অর্ডারও ইস্যু হয়ে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। রোজ অফিস টাইমে এই রাস্তায় তীব্র যানজটের মুখে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে মসজিদ মোড়, নোনাচন্দনপুকুর বাজার, বটতলা মোড় এবং জাফরপুর মোড় এলাকায় সকাল ও সন্ধ্যায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন লেগে থাকে। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তাটি চওড়া করার দাবি জানাচ্ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
advertisement
কয়েকদিন আগেই পূর্ত দফতর, কেএমডিএ, বিদ্যুৎ দফতর এবং পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা যৌথভাবে রাস্তাটি পরিদর্শন করেন। প্রথম পর্যায়ে রাস্তার দু’ধারে নর্দমা নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যুতের খুঁটি ও মাটির নীচে থাকা পাইপলাইন সরানোর কাজও চলবে। এই প্রাথমিক কাজের জন্য প্রায় আট কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। পুরো প্রকল্পের জন্য মোট বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা। প্রশাসনের আশা, আগামী এক বছরের মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ হবে। রাস্তাটি সম্প্রসারণের দাবিতে স্থানীয় বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়ের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর সমস্যার সমাধানে বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিদ্যুৎ দফতর তাদের খুঁটি সরিয়ে নিতে সম্মতি দিয়েছে, যার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পূর্ত দফতর দেবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী জানান, এই রাস্তাটির সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি ছিল। বারাকপুরবাসী দীর্ঘদিন ধরে যানজট যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় খুশি বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন। কিছুদিন সাময়িক অসুবিধা হলেও কাজ শেষ হলে রাস্তাটির চেহারা বদলে যাবে। প্রশাসনের দাবি, এই সম্প্রসারণের ফলে যানজট অনেকটাই কমবে এবং বারাকপুর ও বারাসত সংযোগ আরও মসৃণ হবে।






