কী এই ‘ই- মালখানা? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার প্রতিটি থানার মালখানায় নতুন ধরনের র্যাক বসানো হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া বা মামলার প্রয়োজনে জমা রাখা প্রতিটি জিনিস আলাদা আলাদা কার্ডবোর্ডের প্যাকেটে রাখা হচ্ছে। প্রথমে জিনিসগুলি সুরক্ষিতভাবে প্যাকেটবন্দি করা হয়। এরপর সেই জিনিসের যাবতীয় তথ্য কম্পিউটারে আপলোড করা হচ্ছে। তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে একটি কিউআর কোড। সেই কিউআর কোড প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট প্যাকেটের গায়ে সাঁটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য থাকছে আলাদা ডিজিটাল পরিচয়।
advertisement
এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, মোবাইল ফোন দিয়েই কিউআর কোড স্ক্যান করা যাচ্ছে। স্ক্যান করলেই মুহূর্তের মধ্যে স্ক্রিনে ভেসে উঠছে সংশ্লিষ্ট জিনিসের সমস্ত তথ্য। সেখানে থাকছে কোন মামলার সঙ্গে যুক্ত, কবে এবং কোথা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় বিবরণ। এমনকি জিনিসটির ছবিও সংরক্ষিত থাকছে। জেলা পুলিশের তৈরি একটি নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমেই এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে জেলার পুলিশ সুপার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপাররা নিজেদের অফিসে বসেই কম্পিউটারের মাধ্যমে জানতে পারবেন, কোন থানার মালখানায় কী কী জিনিস রাখা আছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বৃহস্পতিবার এই ডিজিটাল মালখানা ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ভগবানপুর, পটাশপুর ও এগরা থানায় এই ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে মালখানার জিনিসপত্র এখন অনেক সহজে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। কাজের স্বচ্ছতাও অনেক বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, জেলার সব থানাতেই ডিজিটাল মালখানা সম্পূর্ণভাবে চালু হয়ে গিয়েছে। মাত্র দু’টি থানায় সামান্য প্রযুক্তিগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার সমাধান খুব দ্রুত করা হবে।






