এ ব্যাপারে মোট ৩৭৫৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া যায় মাত্র ৫৮ জনকে। যাদের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা করে পরিবহণ আইনানুসারে ১০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায়শই বিভিন্ন গাড়ি দুর্ঘটনার পিছনে চালকদের মদ্যপ অবস্থায় থাকার অভিযোগ ওঠে। মূলত সেই কারণেই এই অভিযান চালানো হয়।
advertisement
পূর্ব বর্ধমানের আঝাপুর সাব ট্রাফিক গার্ডে ২১২ জনকে পরীক্ষা করেও মেলেনি কোনেও কিছু। একইভাবে দেওয়ানদিঘী থানার অধীনে ১৭৫ জনের, পূর্বস্থলী থানা এলাকায় ৩৭ জনের এবং মঙ্গলকোট থানা এলাকায় ১৫৮ জনকে পরীক্ষা করেও মেলেনি কিছুই। অপরদিকে, শক্তিগড় থানা এলাকায় ২৮৯ জনের মধ্যে ৮ জন, বীরহাটা ট্রাফিক গার্ডের অধীনে ১৫৩ জনের মধ্যে ১৭ জন, গোলাপবাগ ট্রাফিক গার্ডের অধীনে ৩০৩ জনের মধ্যে ৩ জন, শ্যামসূন্দরে ৩৩৮ জনের মধ্যে ৩ জন, সেহারাবাজারে ২৩৪ জনের মধ্যে ৪ জন, গলসীতে ৩২৯ জনের মধ্যে ১ জন,গুসকরায় ২৮১ জনের মধ্যে ১ জন, হেমাতপুরে ২৮৯ জনের মধ্যে ১ জন,কালনায় ২৫০ জনের মধ্যে ২ জন, কাটোয়ায় ৩৩৭ জনের মধ্যে ২ জন, মেমারীতে ১৭৫ জনের মধ্যে ১৫ জন এবং কেতুগ্রামে ৮১ জনের মধ্যে ১ জনকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে মোট ৫৮ জনকে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে পরিবহণ আইনের ১৮৫ ধারায় জরিমানা করা হয়। তাদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ মোট ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, ধারাবাহিকভাবে গোটা জেলা পুলিশ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি না চালানোর জন্য, পরিবহণ আইন মেনে গাড়ি চালানোর জন্য প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একইসঙ্গে প্রতিটি থানা এলাকাতে হঠাৎ হঠাৎ অভিযানও চালানো হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে। পথচলতি মোটরবাইক বা গাড়ি চালকদের চেকআপ করা হচ্ছে। জেলা পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, এভাবে ধারাবাহিক অভিযান চালানোর ফলে মদ্যপ অবস্থায় দুর্ঘটনা অনেকটাই কমেছে। এই ধরণের অভিযান লাগাতার চালানো হবে।






