TRENDING:

চেনা ছকের বাইরে অচেনা জীবন! নামমাত্র উপার্জনের জন্য আজও 'সং' সাজতে হয়, একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছেন বাংলার বহুরূপীরা

Last Updated:

East Bardhaman News: বাংলা থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে অতিপ্রাচীন বহুরূপী শিল্প। লক্ষন রায় বংশপরম্পরায় বহুরূপী সেজে বিভিন্ন জেলায় জেলায়, গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেরান আজও। টেনে কষে দিনে আয় হয় ৪০০-৫০০ টাকা।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পলাশী, পূর্ব বর্ধমান, সায়নী সরকার: রুটি-রুজির টানে প্রতিদিনই মুখে মাখতে হয় রং। মাইলের পর মাইল হেঁটে ঘোরেন এক গ্রাম থেকে আর এক গ্রাম। বাড়ি বাড়ি গিয়ে আনন্দ দিয়েই চলে সংসার। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা এই সংস্কৃতিকে আজও বজায় রেখেছেন হাতেগোনা কয়েক জন শিল্পী। আজও তারা প্রতিদিন আয় করেন প্রায় ৫০০ টাকা। কিন্ত ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছেন এই শিল্পীরা, দাবি গ্রামবাসীদের। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই চেনেন না এই শিল্পীদের।
advertisement

ভিন জেলার বাসিন্দা লক্ষন রায়, বংশপরম্পরায় বহুরূপী সেজে ঘুরেন বিভিন্ন জেলায় জেলায়, গ্রামে গ্রামে। আর প্রতিবছরই আসেন পূর্ব বর্ধমান জেলার নানান গ্রামে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতিকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে। তবে একটা সময় ছিল যেখানে সাত দিন নানান সাজে সেজে খেলা দেখিয়ে টাকা ও চাল নিয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য় গ্রামে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির কারনে প্রতিদিনই প্রায় যেতে হয় এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রাম।

advertisement

আরও পড়ুনঃ বিএসএফ ক্যাম্পে আত্মঘাতী জওয়ান! সার্ভিস বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা মাথার খুলি

আগের থেকে রোজগার অনেকটা কমলেও আজও বহুরূপী সেজে প্রতিদিন আয় হয় প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। বংশ পরম্পরায় তিনি করে চলেছে এই কাজ। তাই আর ছাড়তে পারেননি এই পেশাকে। বহুরূপী শিল্পী লক্ষন রায় বলেন, তার দাদু, বাবা, দাদারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। বংশপরম্পরায় তারা এই কাজ করে চলেছেন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে মানুষকে আনন্দ দেওয়াই তাদের কাজ। আগে একটা সময় ছিল অনেক টাকা রোজগার হত কিন্তু বর্তমানে তা অনেকটাই কমেছে। সারাদিনে এখন ৪০০-৫০০ টাকা আয় হয়।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনের খাঁড়িতে মাছ-কাঁকড়া সংগ্রহ
আরও দেখুন

উন্নয়ন আর আধুনিকতার জোয়ারে গ্রাম বাংলার এই চিরচেনা ছবিটা এখন হয়ে এসেছে অনেকটাই ফিকে। কিন্ত স্মৃতির পাতায় ধুলো জমলেও লক্ষণ রায়ের মতো শিল্পীরা আজও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, বাঁচিয়ে রেখেছেন বহুরূপী শিল্পকে।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
চেনা ছকের বাইরে অচেনা জীবন! নামমাত্র উপার্জনের জন্য আজও 'সং' সাজতে হয়, একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছেন বাংলার বহুরূপীরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল