ভিন জেলার বাসিন্দা লক্ষন রায়, বংশপরম্পরায় বহুরূপী সেজে ঘুরেন বিভিন্ন জেলায় জেলায়, গ্রামে গ্রামে। আর প্রতিবছরই আসেন পূর্ব বর্ধমান জেলার নানান গ্রামে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতিকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে। তবে একটা সময় ছিল যেখানে সাত দিন নানান সাজে সেজে খেলা দেখিয়ে টাকা ও চাল নিয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য় গ্রামে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির কারনে প্রতিদিনই প্রায় যেতে হয় এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রাম।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বিএসএফ ক্যাম্পে আত্মঘাতী জওয়ান! সার্ভিস বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা মাথার খুলি
আগের থেকে রোজগার অনেকটা কমলেও আজও বহুরূপী সেজে প্রতিদিন আয় হয় প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। বংশ পরম্পরায় তিনি করে চলেছে এই কাজ। তাই আর ছাড়তে পারেননি এই পেশাকে। বহুরূপী শিল্পী লক্ষন রায় বলেন, তার দাদু, বাবা, দাদারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। বংশপরম্পরায় তারা এই কাজ করে চলেছেন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে মানুষকে আনন্দ দেওয়াই তাদের কাজ। আগে একটা সময় ছিল অনেক টাকা রোজগার হত কিন্তু বর্তমানে তা অনেকটাই কমেছে। সারাদিনে এখন ৪০০-৫০০ টাকা আয় হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উন্নয়ন আর আধুনিকতার জোয়ারে গ্রাম বাংলার এই চিরচেনা ছবিটা এখন হয়ে এসেছে অনেকটাই ফিকে। কিন্ত স্মৃতির পাতায় ধুলো জমলেও লক্ষণ রায়ের মতো শিল্পীরা আজও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, বাঁচিয়ে রেখেছেন বহুরূপী শিল্পকে।





