পেশায় ছোট একটি দোকানের মালিক বিভাসবাবু ময়নাগুড়ির জল্পেশ মন্দির হয়ে দক্ষিণেশ্বরের কালীমায়ের দর্শনে যাচ্ছেন। নিজের অন্তরের মনস্কামনা সম্পর্কে তিনি মুখ খুলতে চাননি। এই সাধনাময় যাত্রা সম্পূর্ণই তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও ভক্তির প্রতিফলন বলে জানান তিনি।
advertisement
প্রতিদিন দিনের বেলায় দণ্ডী কাটতে কাটতে এগিয়ে চলেন বিভাসবাবু। রাতের বেলায় কখনও স্থানীয় থানা, কখনও মন্দির, পেট্রোল পাম্প বা সহানুভূতিশীল মানুষের বাড়িতে আশ্রয় নেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে একটি ছোট গাড়ি, যেখানে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখা আছে। সেই গাড়িটি ঠেলে নিয়ে চলেছেন মুর্শিদাবাদের এক যুবক, যিনি প্রায় এক মাস ধরে তাঁর সঙ্গী। এর আগে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তি তাঁকে সাহায্য করলেও কেউ দীর্ঘদিন থাকতে পারেননি। শুরুতে পরিবার কিছুটা আপত্তি জানালেও পরে তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে সমর্থন করেছে। স্ত্রী, মা, দাদা ও দুই বোন নিয়ে তাঁর পরিবার।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পথ চলতে নানা বাধা-বিপত্তির মুখোমুখি হলেও সাধারণ মানুষের সহানুভূতি ও সহযোগিতায় এগিয়ে চলেছেন বিভাস চক্রবর্তী। তাঁর আশা, আর প্রায় এক মাসের মধ্যেই তিনি পৌঁছাবেন দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরে, পূর্ণ হবে তাঁর সাধনার পথ।





