শিশুদের এই আন্তরিক অভ্যর্থনায় গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। হাসিমুখে শিশুদের কাছ থেকে গোলাপ গ্রহণ করেন তিনি। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই উঠে আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত একটি প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়ারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের উদ্বেগের কথা জানায়।
advertisement
প্রতিদিন স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে বলে জানায় তারা। স্কুলের চারপাশে কোনও সীমানা প্রাচীর না থাকায় সেই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই কথাও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে পড়ুয়ারা।
শিশুদের সরল অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই আবেদন মনোযোগ দিয়ে শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানান এবং সংশ্লিষ্ট স্কুলে দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণের নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই তৎপরতায় আশ্বাস পেয়ে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করে স্কুলের পড়ুয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ইতিমধ্যেই সেই প্রাচীর তৈরির কাজ শুরু হয়েছে । দ্রুত তা শেষ হবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই একঝলক মানবিকতা আর এক কথার সিদ্ধান্তে নিরাপত্তার আশ্বাস পেল একটি প্রাথমিক স্কুল।





