Banglar Bari: বাংলার বাড়ি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুরের প্রায় ৯০ হাজার উপভোক্তা পেলেন প্রথম কিস্তির টাকা, বরাদ্দ ৬৬৬ কোটি
- Reported by:Saikat Shee
- hyperlocal
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
East Medinipur Banglar Bari Scheme: বাংলার বাড়ি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রায় ৯০ হাজার মানুষ প্রথম কিস্তির টাকা পেলেন। উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা প্রদান করা হল।
advertisement
advertisement
advertisement
বাংলার বাড়ি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলায় উপভোক্তা সংখ্যা বেড়েছে ৩৩ হাজার ৩৮১ জন। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলায় মোট ৮৮ হাজার ৯০৫ জন উপভোক্তা এই সরকারি অনুদান পেলেন। প্রথম কিস্তি বাবদ ৬০ হাজার টাকা প্রত্যেক উপভোক্তার নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দেওয়া হয়, যার মোট অঙ্ক ৫৩৩ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা।
advertisement
জেলা পরিষদের এই অনুষ্ঠানে ছিলেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী, জেলাশাসক ইউনিস ঋষিণ ইসমাইল, অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) শ্রী মানস মন্ডল ও অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) নেহা ব্যানার্জি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, চণ্ডীপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
advertisement
জেলাশাসক ইউনিস ঋষিণ ইসমাইল জানান, এদিন বাংলার বাড়ি, বাংলার শস্য বীমা, কৃষিজ যন্ত্রাংশ প্রদান ও পাট্টা প্রদান করা হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে জেলায় প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।' পাশাপাশি তিনি জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলার বাড়ির যে পরিমাণ বরাদ্দ হয়েছে, তাতে রাজ্যের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর শীর্ষস্থানে রয়েছে।
advertisement
এছাড়াও এদিন কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক প্রকল্পের সুবিধাও তুলে ধরা হয়। বাংলা শস্য বিমা (খরিফ) ২০২৫ প্রকল্পে এগরা-১ ও রামনগর-১ ব্লকের ৬ জন কৃষককে মোট ৬৫,১৩৪ টাকা বিমার অর্থ প্রদান করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে খরিফ মরশুমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মোট ২,৯৬৪ জন কৃষককে প্রায় ৯২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এদিন প্রতীকীভাবে ৪ জন কৃষকের হাতে ট্রাক্টর তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া ১২৬ জন ভূমিহীন কৃষককে কৃষি জমির পাট্টা এবং ১৭ জনকে বাস্তু পাট্টা প্রদান করা হয়। (ছবি ও তথ্য: সৈকত শী)









