নিয়মিত বই পড়া, অনলাইন মাধ্যমে বিভিন্ন চাষ সংক্রান্ত ভিডিও দেখে এবং বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করে তিনি আজ ছাদবাগানে ফলাচ্ছেন নানান ধরনের ফল, শাক ও সবজি। শীতের মরশুমে তাঁর ছাদবাগানে আপেল-সহ একাধিক গাছে ফল ধরেছে। সম্প্রতি নতুনভাবে সবজি চাষে মনোযোগী হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ পুরুলিয়ায় চলছে সৃষ্টিশ্রী মেলা! রাজ্য সরকারের সহায়তায় স্বনির্ভর হচ্ছেন পিছিয়ে পড়া মহিলারা
advertisement
সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয় হল, তাঁর ছাদবাগানে ফলেছে উচ্চ ফলনশীল রংবেরঙের ফুলকপি। হলুদ ও বেগুনি রঙের এই ফুলকপি যেমন দেখতে আকর্ষণীয়, তেমনই পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। পাশাপাশি তিনি ফলিয়েছেন কালো টমেটোর মতো বিরল ও পুষ্টিকর সবজিও। ছোট ছোট টবে এমন বৈচিত্র্যময় চাষ দেখে অবাক হচ্ছেন অনেকেই।
অভিজিৎ সামন্তের মতে, অল্প জায়গাতেও সঠিক পরিকল্পনা ও যত্নে স্বনির্ভর হওয়া সম্ভব। তাঁর এই ছাদবাগান নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা। তিনি মনে করেন, শহুরে জীবনে ছাদবাগান শুধু স্বাস্থ্যকর খাবারের জোগানই দেয় না, মানসিক শান্তিও এনে দেয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, নিজের এই অভিজ্ঞতা তিনি শুধু নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। আগামী প্রজন্ম ও আগ্রহী চাষিদের জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, এভাবেই মানুষকে প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত করে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। আইনজীবীর কালো কোটের আড়ালেও যে এমন সবুজ স্বপ্ন লুকিয়ে থাকতে পারে, অভিজিৎ সামন্তের ছাদবাগানই তার উজ্জ্বল উদাহরণ।





