পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। কয়েকদিন আগেই তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন। শনিবার রাতে বাড়িতে একাই ছিলেন সন্দীপ। বাবা-মা গিয়েছিলেন আত্মীয়ের বাড়িতে। রবিবার সকাল থেকে ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। বিকেলে পড়শিদের দিয়ে খোঁজ নিতে বলা হয়। ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে পড়শিরা ছাদে উঠে সিঁড়ি দিয়ে নেমে ঘরের ভেতর উঁকি দেন।
advertisement
আরও পড়ুন: সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, কিন্তু রাত হলে ঘরে মন টেকে না! অবলাদের টানে রোজ বেরিয়ে পড়ে নন্দিনী
সেখানেই দেখা যায়, ঘরের মধ্যে ঢাকা দেওয়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে সন্দীপের রক্তাক্ত দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খাতড়া থানার পুলিশ। বন্ধ দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি, মাথায় আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি, এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কীভাবে যুবকের মাথায় এমন আঘাত লাগল, ঘরে কেউ ঢুকেছিল কি না, সে সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টই এখন মৃত্যুর আসল কারণ প্রকাশ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।






