বাঁকুড়া জেলার ওন্দার ব্রাহ্মণপাড়ায় অবস্থিত এই জিমে রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার প্রায় সব সরঞ্জাম। ওয়েট ট্রেনিং থেকে কার্ডিও, স্ট্রেচিং থেকে শুরু করে প্রাথমিক মার্শাল আর্টস, সব কিছুরই প্রশিক্ষণ দেন কমলেশ বাবু নিজে। নিজের ফিটনেস বজায় রাখার পাশাপাশি এলাকার যুবসমাজকে সুস্থ ও শৃঙ্খল জীবনযাপনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। ভোর পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত প্রায় টানা বারো ঘণ্টা এই জিমেই কাটে তাঁর দিন।
advertisement
আরও পড়ুন: শিক্ষকদের এক চালে বাজিমাত, মিড-ডে-মিলের খরচ কমে অর্ধেক! কিন্তু পড়ুয়াদের পাতে পুষ্টির ঘাটতি নেই
বর্তমানে প্রায় ৩০ জন যুবক-যুবতী নিয়মিত এখানে শরীরচর্চা করতে আসেন। তাঁদের অনেকেই বলেন, কমলেশ বাবুর জীবনযাপনই তাঁদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। যেখানে বয়স কখনওই সীমাবদ্ধতা হয়ে দাঁড়ায় না। এর আগে প্রায় ৩৫ বছর আসামে একটি ঔষধ কোম্পানিতে কাজ করেছেন কমলেশ সাঁতরা। অবসরের পর বাঁকুড়ায় ফিরে এসে নিজেকে অলসতায় না ডুবিয়ে এই জিম গড়ে তুলে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শরীর চর্চার পাশাপাশি বাগান করা তাঁর আর এক প্রিয় অভ্যাস। সময় সুযোগ পেলেই আবার বেরিয়ে পড়েন ট্রেকিংয়ে। দুর্গম পাহাড়ই তাঁর পছন্দের ঠিকানা। কমলেশ সাঁতরা প্রমাণ করে দিচ্ছেন, ৭০ শুধু একটি সংখ্যা মাত্র। ইচ্ছাশক্তি, নিয়ম আর পরিশ্রম থাকলে বয়স কখনওই সুস্থ জীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। এই বার্তাই প্রতিদিন ভোরে ছড়িয়ে পড়ে লালুদার জিম থেকে।





