ডা: অনুপ মণ্ডল জানান, চিকিৎসা এবং রাজনীতি—দুটোই মানুষের সেবার ক্ষেত্র। তিনি বলেন, “ডা: বিধানচন্দ্র রায় যেমন একসঙ্গে চিকিৎসা ও রাজনীতি করেছেন, তেমনই দেশে বহু উদাহরণ রয়েছে। আমি মনে করি, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এই দুই ক্ষেত্রেই সমান সুযোগ আছে।”
advertisement
তাঁর কথায়, “শুধুমাত্র চেম্বারে বসে নয়, বৃহত্তর পরিসরে মানুষের সমস্যার সমাধান করতেই রাজনীতিতে আসা।” প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপি এখনও বাঁকুড়া কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করলেও, তা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন তিনি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “কে প্রার্থী হচ্ছেন, সেটা বড় বিষয় নয়। বাঁকুড়ার মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের নিরিখেই ভোট দেবেন।”
প্রার্থী ঘোষণার পরই তিনি মাঠে নেমে পড়েছেন—নিজে হাতে দেওয়াল লিখন, কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল—সব মিলিয়ে শুরু হয়ে গেছে জোর প্রচার। এদিকে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে—শেষ পর্যন্ত কে হবেন তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী? অনেকেই বলছেন, বাঁকুড়ায় কি তবে দেখা যাবে চিকিৎসক বনাম চিকিৎসকের লড়াই? নাকি গেরুয়া শিবির নামাবে কোনও হেভিওয়েট বা তারকা প্রার্থী? সেই উত্তর মিলবে শীঘ্রই, তবে আপাতত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ভোটের লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী ডা: অনুপ মণ্ডল।





