আসন্ন নির্বাচনে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়বে বলেই আশাবাদী এই প্রার্থী। তবে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কিছু খামতি এখনও রয়ে গিয়েছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। সেই অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুত শেষ করাই এবার তার অন্যতম লক্ষ্য। এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের সমস্যাকে বড় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। এই সমস্যা ঘিরে মানুষের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভও রয়েছে বলে জানান। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি নতুন সাবস্টেশন তৈরির কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিগত লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে দলের লিড বেড়েছিল। সেই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে আরও ভালো ফলের আশায় রয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে উন্নয়ন ও জনসংযোগকে হাতিয়ার করেই হ্যাট্রিক জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন তিনি।
advertisement
২০২১-এ বিজেপি আসন সংখ্যা বাড়াতে পারলেও তৃণমূলের জয় মোটের উপর বিপুল ছিল। ২০২৬-এ এসআইআর পরবর্তী পরিস্থিতিতে অঙ্ক ঘুরে যেতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ঘাসফুল ব্রিগেডও। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সীকে পাশে নিয়ে তালিকা প্রকাশ করেন মমতা। দার্জিলিং-এর ৩টে সিটে লড়ছে না তৃণমূল।
