ইতিমধ্যেই জেলাগুলিকে এই বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেওয়া হবে এবার বডি ক্যামেরাও। প্রত্যেক কোম্পানিতে দুই থেকে তিনটি বডি ক্যামেরা দেওয়া হবে। এই বডি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রত্যেক কোম্পানির জওয়ানদের গতিবিধির ওপর নজরদারি করতে চায় কমিশন।
advertisement
প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি মোতায়ন হওয়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বডি ক্যামেরা দেওয়ার প্রস্তুতি নিল কমিশন। জেলাশাসকদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার নির্দেশ কমিশনের তরফে দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।
ইতিমধ্যেই নির্বাচনের সময়ে রাজ্যে কমপক্ষে ২০০০ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে কমিশন৷ ভোটের দফা কম তাই বাড়ছে বাহিনীর পরিমাণ। দুই দফায় সম পরিমাণ বাহিনী রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন।
একটি বুথ হলে সেখানে হাফ সেকশন অর্থাৎ চারজন এবং একটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে দুটি বুথ থাকলে সেখানে আটজন কেন্দ্রীয় বাহিনী অর্থাৎ এক সেকশন রেখেই ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে মোতায়েন হয়েছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট ঘোষণার আগেই বুথে বুথে রুট মার্চ শেষ করিয়েছে কমিশন। কোন জেলায় কত পরিমান বাহিনী মোতায়েন হবে তা নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কমিশন এমনটাই কমিশন সূত্রে খবর।
প্রসঙ্গত, হিংসা-মুক্ত নির্বাচন, উৎসবের মেজাজে নির্বাচনের কথা বার বারই সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, ভোটের দিন থেকে গণনা ৪ মে পর্যন্ত পুরো সময়ে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে কমপক্ষে ২,০০০-কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
