অভীক দে বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের জেলা কো-অর্ডিনেটর ছিলেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে তিনি অভিযোগ তোলেন, ‘‘বিজেপি দল বাংলা বিরোধী। ছাত্র, যুবদের রাজনীতির ময়দানে নাম উজ্জ্বল করতে দিতে চান না বিজেপি নেতৃত্ব। যখন নির্বাচনের সময় আসে তখন বিজেপি নেতারা এই যুব নেতৃত্বদের খোঁজ করে। নির্বাচনের বিভিন্ন কাজ তাঁদের দিয়ে করিয়ে নেয়। নির্বাচন ফুরিয়ে গেলে আর মনে রাখা হয় না যুব নেতৃত্বদের।’’
advertisement
এছাড়াও অভীক জানিয়েছেন, বিজেপির যুব নেতা থাকাকালীন তাঁর মনোবল ভেঙে গিয়েছিল। ভাল কাজ করার সুযোগ পাচ্ছিলেন না তিনি। তৃণমূলে যুব নেতাদের প্রাধান্য বেশি করে দেওয়া হয়। এছাড়াও, জেলাবাসীদের সুবিধার্থে নানান কাজের সুযোগ রয়েছে। অভীক দে জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের কাণ্ডারি। বিজেপিতে থেকে যে কাজ করতে পারিনি তৃণমূলে এসে সেই কাজগুলি করতে পারব। এই নির্বাচনে আলিপুরদুয়ারের প্রতিটি বিধানসভায় যাতে তৃণমূলের প্রার্থীরা জয়ী হন, তাঁর জন্য যা যা করণীয় তাই করব।”
বিজেপি-র যুবনেতাকে পেয়ে তৃণমূলের শক্তিবৃদ্ধি হল বলে জানালেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার কথায়, ‘‘নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরে পদ্ম শিবিরে ভাঙন এটাই প্রমাণ করে তৃণমূল এবারে আলিপুরদুয়ারে পাঁচটি আসনে জয়ী হবে।’’





