তবে এই বোলপুর শান্তিনিকেতনের মধ্যে রয়েছে এমন একটি জায়গা যেটি হয়তো আপনি অনেকবার ঘুরে এসেছেন। তবে কোনওদিন কোনও ভাবে লক্ষ্য করেননি। প্রসঙ্গত, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছা ছিল ব্রহ্ম উপাসনার জন্য একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করার। আর ঠিক সেই ইচ্ছা ভাবনার মতো ১৮৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর ‘ব্রহ্ম মন্দির’ বা ‘উপাসনা গৃহ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢালাই লোহা ও বেলজিয়ামের কাঁচ দিয়ে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছে ‘শিকদার কোম্পানি’।
advertisement
সপ্তাহের প্রত্যেক বুধবার এখানে ব্রহ্ম উপাসনার রীতি আজও চলে আসছে। এছাড়া, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় বিশেষ উপাসনাও হয়ে থাকে। তবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই মন্দির প্রতিষ্ঠা দেখে যেতে পারেননি। আপনি যদি এই বছর বা এই সপ্তাহে বোলপুর শান্তিনিকেতন ভ্রমণের জন্য আসেন তাহলে অবশ্যই এই উপাসনা গৃহ বা কাঁচের ঘর একটি বার হলেও ঘুরে যেতে পারেন।
তবে এবার আপনার মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে। আপনি আবার গন্তব্যস্থল পর্যন্ত পৌঁছবেন কীভাবে! আপনি চাইলে খুব সহজেই হাওড়া অথবা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে যে কোনও ট্রেন ধরে পৌঁছে যেতে পারেন প্রান্তিক অথবা বোলপুর স্টেশনে। সেখান থেকে বাইরে একটু বেরিয়ে হেঁটে গেলেই আপনি একাধিক টোটো, অটো, গাড়ি পেয়ে যাবেন। সেগুলির মধ্যে আপনি যে কোনও একটি বুকিং করে বেরিয়ে পড়ুন এই উপাসনা গৃহের উদ্দেশ্যে। সেই জায়গায় গেলে আপনি নানা না দেখা জিনিস দেখতে পাবেন। তাই এবার বোলপুর শান্তিনিকেতন এলে এই জায়গাটি ঘুরে দেখুন ।





