এখনও পর্যন্ত মেলায় হারিয়ে যাওয়া ৮৮৯ তীর্থযাত্রীদের মধ্যে ৮৩৫ জনকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০টি ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি করা হচ্ছে। ১২০০ সিসিটিভি, ১০টি স্যাটেলাইট ফোন, ১৫০ ম্যানপ্যাকের মাধ্যমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।
advertisement
গঙ্গাসাগর মেলায় পুণ্যার্থীর ঢল অব্যাহত। মঙ্গলবার দুপুর তিনটে পর্যন্ত প্রায় ৬০ লক্ষ পুণ্যার্থী মেলায় এসেছেন বলে জানান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুণ্যস্নানের মাহেন্দ্রক্ষণ শুরু হচ্ছে বুধবার দুপুর ১টা ১৯ মিনিট থেকে, যা চলবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ১৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে এখনও পর্যন্ত গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “আমাদের দাবি, গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা ঘোষণা করতে হবে। মানুষের মধ্য থেকেই এই দাবি আরও জোরালোভাবে উঠবে।”
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, গঙ্গাসাগর মেলায় দুর্ঘটনাজনিত বিমার অঙ্ক পাঁচ লক্ষ টাকা। এই বিমার আওতায় পুণ্যার্থী, সরকারি কর্মী, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, পরিবহন কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা রয়েছেন।






