২০১৪ সালে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর গীতাঞ্জলির বিয়ে হয়। কিন্তু দাম্পত্য সুখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। পণের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে তিনি ভেঙে পড়েন। সেই অসহনীয় যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পেতে দু’বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। জীবনের সেই সময়টা ছিল সম্পূর্ণ অন্ধকারে ঢাকা, যেখানে বেঁচে থাকার কোনও আশাই দেখতে পাচ্ছিলেন না।
advertisement
চিকিৎসকের পরামর্শে মানসিক সুস্থতার জন্য কোনও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন গীতাঞ্জলি। সেখান থেকেই তাঁর জীবনে আসে পাওয়ার লিফটিং। শুরুটা সহজ ছিল না। শরীরের শক্তির চেয়েও বড় ছিল মনের লড়াই। প্রতিদিন নিজেকে ভাঙা থেকে গড়ে তোলার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছে তাঁকে। ধীরে ধীরে কঠোর পরিশ্রম, অদম্য জেদ ও আত্মবিশ্বাসই হয়ে ওঠে তাঁর সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
আরও পড়ুনঃ Rohit Sharma: এবার কি ওডিআই থেকে অবসর নেবেন রোহিত? নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর উঠে গেল প্রশ্ন
বর্তমানে গীতাঞ্জলি সাহা শুধু একজন সফল ক্রীড়াবিদ নন, তিনি লড়াই করে বেঁচে থাকার প্রতীক। নিজের বাড়িতেই তিনি গড়ে তুলেছেন একটি ছোট জিম, যেখানে এলাকার বহু মেয়ে শরীর ও মন দুটোকেই শক্ত করে তুলছে। তাঁর জীবন বার্তা দেয়—অন্ধকার যত গভীরই হোক, সাহস আর চেষ্টা থাকলে আলো খুঁজে পাওয়া অসম্ভব নয়।





