বিদ্যালয় পরিদর্শকরা হঠাৎ স্কুলে হাজির হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তৈরি করা মিড ডে মিল কতটা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে রান্না করা হয়েছে তা স্বচক্ষে খতিয়ে দেখছেন। সেইসঙ্গে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বাসনে তা পরিবেশন করা হচ্ছে কিনা, খাবারের মান কেমন এইসব খতিয়ে দেখছেন। রাজ্য সরকার সম্প্রতি মিড ডে মিলে বরাদ্দ বাড়িয়ে আরও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার যে নির্দেশিকা জারি করেছে, সেটা কতটা মানা হচ্ছে সেটাও এই পরিদর্শকরা খতিয়ে দেখছেন। রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মত পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও শুরু হয়েছে এই পরিদর্শনের কাজ। ১৬ জানুয়ারি থেকে স্কুলে স্কুলে যাওয়া শুরু করেছেন স্কুল ইন্সপেক্টররা।
advertisement
আরও পড়ুন: নদীর চরে আটকে গেল ভেসেল! গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার পথে আর কী কী বিপত্তি
রাজ্য সরকার থেকে জানুয়ারি মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত মিড ডে মিলের নতুন খাদ্য তালিকা ঘোষণা করেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের পুষ্টিযুক্ত খাবার দিতে সপ্তাহে দু'দিন ডিম ও একদিন চিকেন দিতে বলা হয়েছে মিড ডে মিলে। স্কুলে স্কুলে সেই নির্দেশিকা মেনে মিড ডে মিল রান্নার কাজ চালু হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েক জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে, সরকারের নির্দেশ সত্ত্বেও পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে না মিড ডে মিলে। তাই এই সমস্ত বিষয় একসঙ্গে খতিয়ে দেখতেই এই বিশেষ অভিযান রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের।
এই প্রসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক পঙ্কজ সরকার বলেন, "জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র-ছাত্রীদের দুপুরের খাবার অর্থাৎ মিড ডে মিল স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় রান্না করা হচ্ছে কিনা বা পরিবেশন করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।" মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এই পরিদর্শনের কাজ আপাতত চলবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সৈকত শী





