সকলের মনেই একটা প্রশ্ন থাকে, দার্জিলিংয়ের কোথায় দাঁড়ালে দুচোখ ভরে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘাকে প্রাণ ভরে উপভোগ করা যায়? তাহলে জেনে রাখুন সবার প্রথমে এই আসে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু যেখানে দাঁড়িয়ে হাতের নাগালেই কাঞ্চনজঙ্ঘাকে পাওয়া যায়। বহু ট্রেকারদের হাতে খড়ি হয় এই সান্দাকফু থেকেই এজন্য একে ট্রেকার্স প্যারাডাইসও বলা হয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্তে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার সিঙ্গলীলা জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত একটি ছোট জনবসতি টঙ্গলু।
advertisement
আরও পড়ুনঃ গঙ্গাসাগরকে ‘এই’ কোডেই চেনে গোটা বিশ্ব! কেন এই কোড ব্যবহার হয়? এই তথ্য জানা উচিত বঙ্গবাসীর
পাহাড় প্রেমীদের কাছে সান্দাকফু দেখার স্বর্গরাজ্য হল এই জায়গা এখানে দাঁড়িয়ে থ্রিডি ভিউতে চোখের সামনে ভেসে ওঠে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা। এরপর তৃতীয় স্থানে রয়েছে দার্জিলিংয়ের বাতাসিয়া লুপ, শৈল শহরের বুকে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে দেখতে হঠাৎ করেই ধোয়া ওড়াতে ওড়াতে সামনে এসে দাঁড়াবে ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেন এই অনুভূতিটা যেন সারা জীবনের জন্য দাগ কেটে যাবে মানে।
আরও পড়ুনঃ দিঘায় এমন ঘটনা আগে ঘটেনি, শুধু এই কারণেই সমুদ্রপাড়ে জমবে দ্বিগুণ মজা, জানুন আপনিও
সবশেষে রয়েছে দার্জিলিংয়ের বহু চর্চিত এবং ইতিহাসের সাক্ষী অবজারভেটারি হিল। দার্জিলিং মলের পাশ দিয়েই চলে গিয়েছে এই রাস্তা যেখানে গরম গরম দার্জিলিং চা হাতে চোখের সামনে ভাসবে সাদা বরফের চাদরে মোড়া সেই মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, যার টানে প্রতিনিয়ত দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন পর্যটকেরা। এ প্রসঙ্গে এখানে ঘুরতে আসে এক পর্যটক ইন্দিরা বিশ্বাস বলেন, এখানে বসে পাহাড়ি ঠান্ডা আমেজে দারুণভাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা কে উপভোগ করলাম। পাহাড় বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় তবে পাহাড়ের রানী দার্জিলিং থেকে এই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার মজাটা যেন একদম আলাদা।
শীতের ছুটিতে আপনিও যদি মনমুগ্ধ করা কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন পেতে চান তাহলে অবশ্যই যেতে হবে দার্জিলিংয়ের এই চার দর্শনীয় স্থানে। যেখানে বসে প্রকৃতির মজা নিতে নিতে উপভোগ করতে পারবেন হাতের নাগালে মনমুগ্ধ করা সেই কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ মায়াবী দৃশ্য। এই অনুভূতিটা সত্যিই অসাধারণ।
সুজয় ঘোষ





