স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ছয় মাস সময় পেরিয়ে গেলেও কি প্রকল্প করতে চাইছে? কেন দোকানদারদের দোকান ভেঙ্গে পিছিয়ে দেওয়া হল? তাও জানা নেই। আর দেখা পাওয়া যায়নি এলাকায় কোন আধিকারিকের। যদি রাস্তা সম্প্রসারণের কাজই তাদের উদ্দেশ্য হয় তাহলে তা দ্রুত সম্পন্ন করা হোক। কারণ প্রতিদিনই তাদের উদ্বিগ্ন থাকতে হয়, যে কোন মুহূর্তে আবার দোকান ভাঙ্গা পড়তে পারে এই ভেবে। পুনরায় যদি এই প্রতিষ্ঠান ভাঙতে হয় তাহলে ব্যাপক সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।
advertisement
আরও পড়ুন: বালুরঘাটে বিরাট কাণ্ড! আচমকা হলটা কী? কাতারে কাতারে ছুটে আসছে দূর-দূরান্তের মানুষ
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বিষয়ে জেলাশাসক অবশ্য বলছেন, “রাস্তার বিষয়ে ইতিমধ্যেই প্রপোজাল দেওয়া হয়েছিল। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এই কাজটি করবে। সেই মত প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। খুব দ্রুত রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে।”
আরও পড়ুন: ক্রিসমাস ট্রি কিনতে গিয়ে ঠকছেন না তো! বাজারে চলছে ব্যাপক লোক ঠকানোর খেলা
চলতি বছর ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বালুরঘাট থানা মোড় থেকে বালুরঘাট স্টেশন এলাকার গোবিন্দপুর পর্যন্ত রাজ্য সড়কের দুপাশে অবৈধভাবে অধিকার করে থাকা জবরদখলকারীদের সরিয়ে দেওয়ার কাজ করেছিল জেলা প্রশাসন। লক্ষ্য ছিল স্টেশন থেকে বালুরঘাটে আসার রাস্তার সম্প্রসারণ। কারণ নতুন ট্রেনের সংখ্যা বেড়েছে। বেড়েছে যাত্রীর চাপ। এছাড়াও বালুরঘাট হিলি রেল সম্প্রসারণ। বালুরঘাটে রেক পয়েন্ট বা আরও অন্যান্য রেল প্রকল্পগুলি চালু হলে আগামী দিনে যাত্রী সহ পরিবহনেরও সংখ্যা বাড়বে। চাপ বাড়বে রাস্তায়। যানজটের সৃষ্টি হবে নিত্যদিন। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসন রাস্তা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ছয় মাস সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শুরু হয়নি।
সুস্মিতা গোস্বামী





