সূত্রের খবর, সোমবার গভীর রাতে দুটি শাবক সহ পাঁচটি বুনো হাতির দল তাণ্ডব চালায় স্কুল চত্বরে। শ্রেণিকক্ষ, অফিস ঘর, স্টোর রুম—কিছুই রেহাই পায়নি। মিড-ডে মিলের বাসন, বইখাতা, ছাত্রছাত্রীদের জুতো পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে গোটা স্কুল চত্বরে। গত ১০ মাসে এই নিয়ে চতুর্থবার এই স্কুলে হাতির হানা।
আরও পড়ুন: প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে স্বপ্নের পিচে! সোনাইয়ের সফটবলের মাঠ জয়ের আবাক করা গল্প
advertisement
স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, “প্রতিবারই নিজেরাই সামলে উঠেছি, কিন্তু আর পারছি না। স্কুল তহবিল নিঃশেষ। এবার যদি সরকার হস্তক্ষেপ না করে, তা হলে হয়ত স্কুলটাই উঠে যাবে।” এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে চা বাগানের ২২০ জন শ্রমিক পরিবারের সন্তান। গরমের ছুটি শেষে স্কুল খুললেও এখন কীভাবে ক্লাস চালানো হবে, তা নিয়েই চিন্তায় শিক্ষকমহল। পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকারে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় বাসিন্দারা ও অভিভাবকদের স্পষ্ট দাবি, “এভাবে চলতে পারে না। বন দফতর অবিলম্বে স্থায়ী সমাধান করুক। সীমানা প্রাচীর বানানো হোক, হাতির গতিবিধি আটকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” বন দফতর সূত্রে খবর, তারা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। তবে এখনই স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে না তুললে স্কুলের অস্তিত্ব রক্ষা করা দুঃসাধ্য হয়ে উঠবে বলেই আশঙ্কা এলাকাবাসীর। গ্রামের কচিকাঁচা পড়ুয়ারা বইয়ের বদলে হাতির ভয় নিয়ে বড় হচ্ছে—এ দৃশ্য কি আর কতদিন চলবে? প্রশ্ন ঘুরছে নাগরাকাটার আকাশে-বাতাসে।
সুরজিৎ দে






