ইতিমধ্যেই পাইপলাইনের মাধ্যমে এলাকার বহু বাড়িতে গ্যাস পৌঁছেছে। রান্নাও শুরু হয়েছে জোরকদমে। এলাকাবাসীদের মুখে চওড়া হাসি। আধুনিক পরিকাঠামো ও নাগরিক সুবিধার জোরে আজ জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর শুধুই একটি গ্রাম পঞ্চায়েত নয়, বরং দ্রুত নগরায়নের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
আরও পড়ুনঃ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগের অবসান! সহজ হতে চলেছে ভূতনি দ্বীপে যাতায়াত, শুরু হল বিরাট সংস্কারের কাজ
advertisement
জলপাইগুড়ি পৌরসভার হিসেব অনুযায়ী, এই শহরের বয়স দেড়শো বছরেরও বেশি। অথচ সেই শহরের গা ঘেঁষে থাকা পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। একদিকে রয়েছে মেডিক্যাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও পলিটেকনিক কলেজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অন্যদিকে ঝকঝকে নতুন সার্কিট বেঞ্চ। যোগাযোগ ব্যবস্থাও বেশ মজবুত। রেল ও সড়ক পথে পাহাড়পুর সহজেই দেশের নানা প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত।
এখানকার রেল স্টেশন ছুঁয়ে যায় অসমগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস থেকে শুরু করে দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেস। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়পুরবাসীদের আনন্দের বড় কারণ রান্নার গ্যাসের পাইপলাইন সংযোগ। শহরের বহু এলাকায় এখনও যেখানে বাড়ি বাড়ি সিলিন্ডার সরবরাহ ঢিমে তালে চলছে, সেখানে পাহাড়পুরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পাইপলাইনে রান্নার গ্যাস প্রায় প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পানীয় জলের মতোই এখন গ্যাসের লাইনের সুবিধা পেয়ে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই গ্যাসের দাম কেজি প্রতি মাত্র ৪৫ টাকা থেকে ৪৮ টাকার মধ্যে। পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিতা রাহুত জানান, “কিছু পরিবার বাদে প্রায় সবার বাড়িতেই পাইপলাইনের মাধ্যমে রান্নার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য।” সব মিলিয়ে, সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক উদ্যোগ থাকলে গ্রামও হতে পারে আগামী দিনের ভবিষ্যতের অঙ্গ।





