প্রায় ছয় মাস আগে গঙ্গা ও ফুলহার নদীর তীব্র জলস্রোতের চাপে ভেঙে পড়ে ভূতনির দক্ষিণ চণ্ডিপুর এলাকার বাঁধ। তার জেরে সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে যাতায়াত ব্যবস্থা। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই নিত্যদিন চলাচল করতে বাধ্য হন ভূতনির লক্ষাধিক বাসিন্দা। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে রোগী, বৃদ্ধ সকলের কাছেই যাতায়াত হয়ে উঠেছিল চরম দুঃসাধ্য। তবে সেই দুঃসময়ের অবসান ঘটতে চলেছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ রাজ্য সড়কে মোটরসাইকেল-চারচাকার মুখোমুখি সংঘর্ষ! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শেষ জামাইবাবু-শ্যালিকা, জখম আরও ১
জল নামতেই শুরু হয়েছে বাঁধ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ। কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাজুড়ে দেখা দিয়েছে খুশির হাওয়া। আবারও ঝুঁকিহীন পথে হাঁটার স্বপ্ন দেখছেন গ্রামবাসীরা। সুভাষচন্দ্র মণ্ডল নামে এক গ্রামবাসী জানান, “গত দুই বছরে দু’বার বাঁধ ভেঙেছে। প্রথমবার বাঁধ ভাঙার পর রিং বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল, তার উপর দিয়েই গ্রামের একমাত্র রাস্তা ছিল। কিন্তু সেটিও ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গোটা ভূতনি থানা এলাকাই তখন প্লাবিত ছিল। এখন জল কমায় কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, যাতায়াত দ্রুতই স্বাভাবিক হবে।”
সংস্কারের দায়িত্বে থাকা এক ঠিকাদার কর্মী মোহন শেখ জানান, “প্রায় ৫০ মিটারেরও বেশি অংশে বাঁধ ও রাস্তা ভেঙে গিয়েছিল। বর্তমানে মেশিনের সাহায্যে দ্রুত গতিতে সংস্কার কাজ চলছে। আশা করছি, কুড়ি দিনের মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ হবে। এই কাজ শেষ হলে লক্ষাধিক মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ভাঙা বাঁধ ও রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ভূতনির মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াতের অধ্যায় শেষ করে নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় এখন গোটা ভূতনিবাসী।





