প্রায় আড়াইশো বছর পুরনো মাটির বাড়ি আজও অস্তিত্ব বাঁচিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত ১৮৯৮ সালের ৮ শ্রাবণ বীরভূমের লাভপুরে জন্ম গ্রহণ করেন কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই এখন রয়েছে, তার জন্মভিটে বা আঁতুড় ঘর। লাভপুর শহরের এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে দুর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটক ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের মানুষজনের দাবি সংরক্ষণ করা হোক তারাশঙ্করের আঁতুড়ঘর।
advertisement
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার আগের হাসপাতাল, অথচ এখন একজনও চিকিৎসক নেই! ঘুরতে গিয়ে ফাঁপড়ে পড়ছেন পর্যটকরা
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও ধাত্রী দেবতাকে সরকারিভাবে হেরিটেজের তকমা দেওয়া হলেও এখনও সেভাবে তেমন কিছু উন্নয়ন করা হয়নি। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতুষ্পুত্র বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ভিটে অর্থাৎ যে আঁতুড়ঘর, তা অবিলম্বে সংস্কার করা প্রয়োজন। কারণ সেটি মাটির ঘর। প্রায় কয়েকশো বছরেরও বেশি পুরনো বাড়ি। অবিলম্বে সংস্কার করা না হলে, তা ধ্বংস হয়ে যাবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতুষ্পুত্র আরও জানান, প্রত্যেকদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষজন এই আঁতুড় ঘর দেখার জন্য ছুটে আসেন। সকাল ৭ টা থেকে রাত্রি ৮ টা ,৯ টা আবার কখনও রাত্রি ১২ টা পর্যন্ত পর্যটকদের আগমন লেগেই থাকে। প্রত্যেক পর্যটকদের খুব সহানুভূতির সঙ্গে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁতুঘর ঘুরিয়ে দেখান তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতুষ্পুত্র।





