বানারহাট থানার অন্তর্গত মগলকাটা খুঁটাবাড়ি এলাকায় অবশেষে বন দফতরের পাতানো খাঁচায় ধরা পড়ল চিতাবাঘ। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চিতাবাঘের আনাগোনা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ দপ্তরে বিষয়টি জানানো হলে বনকর্মীরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এলাকায় খাঁচা বসান।
advertisement
সোমবার রাতে সেই খাঁচাতেই ধরা পড়ে চিতাবাঘটি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা খাঁচার ভিতরে বন্দি অবস্থায় চিতাবাঘটিকে দেখতে পেয়ে বনদপ্তরকে খবর দেন। এরপর বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ স্কোয়াডের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উল্লেখ্য অতীতে এই এলাকায় চিতাবাঘের হামলায় এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। অবশেষে চিতাবাঘটি খাঁচাবন্দি হওয়ায় কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর আগে দুই দিন আগে ডুয়ার্সের বানারহাট ব্লকের দেবপাড়া চা বাগানে বন দফতরের পাতা খাঁচায় ধরা পড়ল একটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ। এদিন ঘটনাটি সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এদিন কাজে যোগ দিতে গিয়ে বাগানের শ্রমিকরা ৭৩ নং সেকশনে চিতাবাঘটিকে খাঁচাবন্দি অবস্থায় দেখতে পান।
সেদিন খাঁচার ভিতর থেকে গর্জন শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তাঁরা। পরে কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন, বনদপ্তরের পাতা ফাঁদেই আটকে পড়েছে চিতাবাঘটি। মুহূর্তের মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় এবং চিতাবাঘটিকে দেখতে ভিড় জমায় বহু মানুষ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণী স্কোয়াডের কর্মীরা। যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করে চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করা হয়। এরপর সেটিকে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে স্বাভাবিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।
