এই জেলাতেই পাওয়া গিয়েছে ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৭ জন অবৈধ ভোটার! এই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীকে ভোট বন্ধ রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনকে আবেদন করার দাবি তুলেছেন। বহরমপুরে অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “যখন প্রথম লিস্ট প্রকাশ হয় তখনও মুর্শিদাবাদই প্রথম ছিল রাজ্যে, এখনও প্রথম। আমি যেখানেই ভোটের প্রচারে যাচ্ছি, আমাকে বলা হচ্ছে ভোট আমরা দিতে চাই কিন্তু কাকে ভোট দেব? সারাজীবন ভোট দিয়ে এসেছি আর এখন ভোটার লিস্টে নামই নেই। মুর্শিদাবাদ জেলার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক সংখ্যক নাম বাদ গিয়েছে।”
advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের নাম উল্লেখ করে অধীর চৌধুরী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কাছে আমি দাবি রাখছি, আপনি বলেছিলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত SIR প্রক্রিয়া শেষ হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত নাম না উঠবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি নাম তুলব না। আপনার সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা উচিৎ নির্বাচন কমিশনের কাছ, যতক্ষণ পর্যন্ত বঞ্চিত ও বৈধ ভোটার যারা তাদের নাম নথিভুক্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখা হোক। কারণ এটা সাংবিধানিক প্রশ্ন। দেশের বড় লোক থেকে গরীব লোক সকলের অধিকার আছে ভোট দেওয়ার। মৌলিক অধিকার না থাকলে কী করে বলা হবে যে এই ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আরও একমাস ও দেড় মাস লাগতে পারে, তাই বৈধ ভোট সুনিশ্চিত করার জন্য ভোট স্থগিত রাখা উচিত বলেই আমরা মনে করি।”
“কোনও যুক্তিতেই এই দাবিকে কেউ অবজ্ঞা করতে পারে না। অবাধ নির্বাচন তখনই হয় যখন অবাধ ভোটার তালিকা হয়। অবাধ ভোটার করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের। নির্বাচন কমিশন একা একা এসে নাম তুলতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া শেষ না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত ভোট বন্ধ থাকুক। কারণ আগামী দিনে নাগরিকত্ব হারাতে পারে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বলব নির্বাচন কমিশনকে ভণ্ডামি না করে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হোক।” এতে আকাশ ভেঙে পড়বে না বলেই দাবি করেছেন অধীর চৌধুরী।
কৌশিক অধিকারী





