দিঘায় বেড়াতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি! হোটেলের সুইমিং পুলে ডুবে মৃত্যু কলকাতার যুবকের
‘আমরা অনুপ্রবেশকারীদের নাম কাটছি বলে পেটে ব্যথা হচ্ছে!’ অসমে একযোগে মমতা-রাহুলকে আক্রমণ অমিত শাহের
শুধু তা-ই নয়, যেসব নথি আগে প্রয়োজন ছিল না, এখন সেগুলিও একাধিকবার জমা দিতে বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। একই সুর শোনা গেল কৈথনের বাসিন্দা সাবির কারিগরের গলায়। তিনি জানান, “হিয়ারিংয়ের সময় শুধু আধার আর ভোটার কার্ডই যথেষ্ট বলা হয়েছিল। কিন্তু এখন বংশপরিচয়, স্কুল সার্টিফিকেট, ব্যাংকের নথি সবই দিতে হচ্ছে।” এত কাগজ জমা দেওয়ার পরেও নিজের নাম তালিকায় ফিরবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তিনি।
advertisement
কেতুগ্রামের বাসিন্দা আতিয়ার রহমান আরও বড় অভিযোগ তুলে বলেন, “আমাদের এলাকায় প্রায় ৩৮ হাজার বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেছে। ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনা ঘটেছে।” তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনের গাফিলতিই দায়ী। একইসঙ্গে দ্রুত স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশের দাবিও জানান তিনি।দিনমজুর সেখ জিয়াউদ্দিনের মতো অনেকেই কাজ ফেলে দিনের পর দিন দৌড়চ্ছেন দফতরের সামনে। তিনি বলেন, “খেটে খাওয়া মানুষ, কাজ কামাই করে ঘুরছি। শুধু চাই, আমার নামটা আবার ফিরে আসুক,”। সব মিলিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই ভোটের আগে এমন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে।