যার ফলে গেদে দর্শনার সীমান্ত গেটে মানুষের যাতায়াত বর্তমানে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমে গিয়েছে। এর ফলে আর্থিক দিক দিয়ে প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সীমান্ত লাগোয়া বেশ কিছু ব্যবসায়ীরা। জানা যায় ভারত বাংলাদেশের সড়ক পথে যাতায়াতের সময় একাধিক ভারতীয় এবং বাংলাদেশীরা সীমান্ত লাগোয়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়কারীদের দোকান থেকে তারা তাদের অর্থ বিনিময় করে থাকতেন। এছাড়াও চেকপোস্ট থেকে বর্ডার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য স্থানীয় ভ্যান রিক্সা ব্যবহার করতেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ দুঃস্থ মানুষদের পাশে! বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যবস্থা মাজদিয়ায়
ওই স্থানে প্রায় ১১ টির মতো রিকশা ভ্যান চলতো, যাদের আজ শোচনীয় অবস্থা বলেই জানান তারা। এছাড়াও সীমান্তলা গোয়া একাধিক হোটেল রেস্তোরাঁ, রমরমা নিয়ে চলত। শুধু রিক্সাওয়ালারাই নন, সীমান্তে রয়েছে একাধিক পানের দোকান, রেস্তোরাঁ এবং বিভিন্ন কুলি যারা মালপত্র পারাপারে সাহায্য করতেন। তাদের দাবি, পার্শ্ববর্তী জেলার বনগাঁও পেট্রাপোল বেনাপোল বর্ডারে সড়কপথে মানুষ পারাপার চালু থাকলে নদিয়া জেলার গেদে দর্শনা বর্ডারেও অবিলম্বে বাংলাদেশীদের ভারতে আসার ভিসা দিক সরকার। তারা জানান, সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে পারাপার বন্ধ হওয়ার ফলে প্রায় ২০০ টি পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বাস ও ক্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ! ভয়াবহ দুর্ঘটনা শান্তিপুরে
এছাড়াও ওপার বাংলার দর্শনা বর্ডারেও বাংলাদেশি বেশ কিছু সীমান্ত লাগোয়া ব্যবসায়ীরা একইভাবে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানা যায় বাংলাদেশি সূত্র মারফত। গেদে সীমান্ত লাগোয়া এক পুরোনো ব্যবসায়ী দীনবন্ধু মহলদার জানান, "আমরা মাস পিটিশন করেছিলাম ভারত সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে। তারা আমাদের কোনও উত্তর দেয়নি। আমরা আর টি আই করেছি, সেই আর টি আইয়েরও কোনও উত্তর পাইনি। আমরা চাইছি এই চেক পোস্ট দিয়ে ভারত সরকার বাংলাদেশের লোকেদের ভিসা দিক"।
Mainak Debnath





