advertisement

Money Making Tips: অভাবের দিন শেষ! ঘরে বসেই মাসে ৩৫ হাজার টাকা আয়! রেশম চাষে কীভাবে স্বনির্ভর হচ্ছেন বাংলার গ্রামের মহিলারা?

Last Updated:
Silkworm Cultivation: নদিয়ার করিমপুরের হরেকৃষ্ণপুরে গুটিপোকা চাষ করে রেশম সুতো ও শাড়ি তৈরি করছেন মহিলারা। মাসে ৩০-৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন তাঁরা
1/6
নদিয়ার করিমপুরের হরেকৃষ্ণপুর এলাকায় গুটিপোকা চাষ করে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা দেখাচ্ছেন একদল মহিলা। নিজেদের উদ্যোগে রেশমের পোকা পালন করে সেই গুটি থেকে সুতো বার করছেন তাঁরা। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
নদিয়ার করিমপুরের হরেকৃষ্ণপুর এলাকায় গুটিপোকা চাষ করে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা দেখাচ্ছেন একদল মহিলা। নিজেদের উদ্যোগে রেশমের পোকা পালন করে সেই গুটি থেকে সুতো বার করছেন তাঁরা।(ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
advertisement
2/6
পরে সেই রেশম সুতো দিয়েই তৈরি হচ্ছে হাতে বোনা শাড়ি ও বিভিন্ন রেশমি কাপড়। গ্রামীণ পরিবেশে বসেই এই কাজ করে সংসারের হাল ধরেছেন বহু মহিলা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে গুটিপোকা চাষের প্রশিক্ষণ নিয়ে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করেন তাঁরা। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও পরিচর্যার মাধ্যমে রেশম পোকার লালন-পালন করা হয়।
পরে সেই রেশম সুতো দিয়েই তৈরি হচ্ছে হাতে বোনা শাড়ি ও বিভিন্ন রেশমি কাপড়। গ্রামীণ পরিবেশে বসেই এই কাজ করে সংসারের হাল ধরেছেন বহু মহিলা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে গুটিপোকা চাষের প্রশিক্ষণ নিয়ে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করেন তাঁরা। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও পরিচর্যার মাধ্যমে রেশম পোকার লালন-পালন করা হয়।
advertisement
3/6
গুটি তৈরি হলে সেখান থেকে সুতো সংগ্রহ করা হয় বিশেষ পদ্ধতিতে। এরপর সেই সুতো দিয়ে তাঁত বসিয়ে তৈরি করা হয় শাড়ি ও কাপড়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিই মহিলাদের হাত ধরে সম্পন্ন হচ্ছে।
গুটি তৈরি হলে সেখান থেকে সুতো সংগ্রহ করা হয় বিশেষ পদ্ধতিতে। এরপর সেই সুতো দিয়ে তাঁত বসিয়ে তৈরি করা হয় শাড়ি ও কাপড়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিই মহিলাদের হাত ধরে সম্পন্ন হচ্ছে।
advertisement
4/6
এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রেশমা খাতুন জানান, রেশম পোকার চাষ খুব কঠিন নয়। সঠিক নিয়ম মেনে পরিচর্যা করলে যে কেউ এই চাষ করতে পারেন। তবে শুরু করার আগে সঠিক প্রশিক্ষণ নেওয়া জরুরি।
এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রেশমা খাতুন জানান, রেশম পোকার চাষ খুব কঠিন নয়। সঠিক নিয়ম মেনে পরিচর্যা করলে যে কেউ এই চাষ করতে পারেন। তবে শুরু করার আগে সঠিক প্রশিক্ষণ নেওয়া জরুরি।
advertisement
5/6
তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব হচ্ছে এই চাষ থেকে। শুধু স্থানীয় বাজারেই নয়, অনলাইন মাধ্যমেও দূরদূরান্তে পাঠানো হচ্ছে তাঁদের তৈরি রেশমি শাড়ি ও কাপড়। ফলে ক্রেতার পরিধি বেড়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব হচ্ছে এই চাষ থেকে। শুধু স্থানীয় বাজারেই নয়, অনলাইন মাধ্যমেও দূরদূরান্তে পাঠানো হচ্ছে তাঁদের তৈরি রেশমি শাড়ি ও কাপড়। ফলে ক্রেতার পরিধি বেড়েছে।
advertisement
6/6
গ্রামে বসেই এমন উদ্যোগে আর্থিক স্বনির্ভরতা অর্জন করে অন্য মহিলাদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছেন করিমপুরের হরেকৃষ্ণপুরের এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
গ্রামে বসেই এমন উদ্যোগে আর্থিক স্বনির্ভরতা অর্জন করে অন্য মহিলাদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছেন করিমপুরের হরেকৃষ্ণপুরের এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
advertisement
advertisement
advertisement