এদিন তিনি বলেন, "আমিও হকারের পক্ষে আন্দোলন করেছি, কিন্তু একটা সিস্টেম থাকে। এক-তৃতীয়াংশ জায়গায় হকার বসবে। দুই-তৃতীয়াংশ জায়গা খালি থাকবে। আমি হকার ইউনিয়ন করা মানে আমি যেখানে ইচ্ছে হকার বসিয়ে দেব, এটা হতে পারে না। পুলিশকে কড়া হতে হবে। এটার জন্যই বিনীত গোয়েলজিকে চিঠি দিয়েছি। আমার মনে হয় ওঁনার নজরে যদি আসে, তাহলে উনি যদি নির্দেশ দেন তাহলে পুলিশ কাজ করবে।"
advertisement
ফিরহাদ বলেন, "আমার কাছে ঢাল নেই, তরোয়াল নেই, আমি নিধিরাম সর্দার। যাঁর কাছে ঢাল তরোয়াল রয়েছে, তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছি।এক বছর আগে চিঠি দিয়েছিলাম কিছু জায়গায় নিয়ন্ত্রণ হয়েছিল। আবার কিছু জায়গায় অনিয়ন্ত্রিত হয়েছে। আবার আমরা চিঠি দিচ্ছি।"
ফিরহাদ জানান, "২ নভেম্বর চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমি দেখিনি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে। পুলিশকে এটা দায়িত্ব নিতেই হবে।"
আরও পড়ুন, 'আমায় জানান', নিজের ই-মেল আইডি প্রকাশ করে বড় আবেদন শুভেন্দু অধিকারীর!
পুলিশের বিরুদ্ধে রীতিমত ক্ষোভ উগরে কলকাতার মেয়র বলেন, "এগুলো সব পুলিশের লোকাল থানার মদত না থাকলে এরা বসতে পারে না। আমার কাছে প্রমাণ নেই। কিছু কিছু হকার ইউনিয়ন এবং পুলিশ তাদের মান্থলি সিস্টেম করে নিয়েছে। এটা শুনেছি, আমার কাছে প্রমাণ নেই। এটা কিন্তু খুব খারাপ হচ্ছে। কারণ যদি একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যায় বড়, তখন আমরা সবাই বিপদে পড়ব।"
আরও পড়ুন, 'এনআরসি হতে দেব না,' মেঘালয়ে গিয়ে সুর চড়ালেন অভিষেক
সাংবাদিকদের ফিরহাদ বলেন, "একটা হকার সার্ভে হয়েছিল ২০১২ সালে। আরেকটা সার্ভে হয়েছিল ২০১৪ সালে। তার পরেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে হকার বসে যাচ্ছে। এটা কিছু কিছু ক্ষেত্রে থানার মদতে বসছে। কিছু হলেই বিভিন্ন দলের ইউনিয়নের নেতারা থাকেন, তারা আবার কিছু জায়গায় হইহই করে এসে যান।"
