রাজ্যে থাবা বসিয়েছে 'নিপা' ভাইরাস, জরুরি গাইডলাইন জারি রাজ্যের! খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি জেনে নিন
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
Nipah Virus 'নিপায়' আক্রান্ত বা 'নিপার' উপসর্গ থাকা রোগীদের দেখভালের দায়িত্ব ব্যক্তিদের এবং কর্মরত সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য গাইডলাইন তৈরি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মূলত, ৫ সদস্যের চিকিৎসক দলের নেতৃত্বেই এই গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে।
advertisement
1/8

রাজ্য তথা কলকাতায় ক্রমেই বাড়ছে 'নিপা' ভাইরাস। এই ভাইরাস সংক্রমণে এবার গাইডলাইন প্রকাশ করল রাজ্য সরকার।
advertisement
2/8
'নিপায়' আক্রান্ত বা 'নিপার' উপসর্গ থাকা রোগীদের দেখভালের দায়িত্ব ব্যক্তিদের এবং কর্মরত সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য গাইডলাইন তৈরি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মূলত, ৫ সদস্যের চিকিৎসক দলের নেতৃত্বেই এই গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে।
advertisement
3/8
গাইডলাইন অনুযায়ীনিপায় আক্রান্ত অথবা নিপার উপসর্গ থাকা রোগীর রক্ত, ফ্লুইড, লালা, হাঁচি-কাশির ড্রপলেট ইত্যাদির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলকভাবে ২১ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে।
advertisement
4/8
নিপা আক্রান্ত কিংবা নিপা উপসর্গ থাকা রোগীর সঙ্গে বন্ধ সীমাবদ্ধ জায়গায় কাটানোর মানেই তাঁকে 'হাইরিস্ক' বলে গাইডলাইনে উল্লেখ করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
advertisement
5/8
একইসঙ্গে গাইডলাইন অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টিন থাকাকালীন ওই ব্যক্তিকে দিনে ২ বার চিকিৎসা করাতে হবে। তবে উপসর্গ ধরা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে হাপপাতালে ভর্তি হতে হবে হোম কোয়ারেন্টিন থাকা ব্যক্তিকে। রাখতে হবে আইসোলেশনে ওয়ার্ডে।
advertisement
6/8
একইভাবে নিপায় আক্রান্ত অথবা নিপায় উপসর্গ থাকা রোগীর জামা-কাপড়ের সংস্পর্শে এলে অথবা রোগীর সংস্পর্শে এলেও ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। একই সঙ্গে কোনও উপসর্গ পাওয়া গেলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে তাঁকে।
advertisement
7/8
আপাতত যাদের কোনও উপসর্গ নেই তাঁদের ক্ষেত্রে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসাবে একটি বিশেষ অ্যান্টিভাইরাল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।অন্যদিকে, যাদের উপসর্গ দেখা যাবে, তাঁদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করতেই হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
advertisement
8/8
পরীক্ষা করানো সংক্রান্ত সরকারি গাইডলাইনRTPCR টেস্টের জন্য তাঁদের নমুনা দ্রুত পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়েছে, একদিনের মধ্যে দুবার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই ওষুধ বন্ধ করতে হবে। PPE কিটের মতো ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাঁকে কোয়ারেন্টিনে রাখার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই।