আর সেখানেই আমন্ত্রিত ছিলেন সেলিম। তিনি মঞ্চে উঠে বসতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ অনুষ্ঠানকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান বলে খবর। মোদ্দা কথা, সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদককে মঞ্চে দেখেই পড়ুয়ারা তাঁকে একপ্রকার ‘বয়কট’ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই অনুষ্ঠানে আরও অনেক আমন্ত্রিত অতিথি, বক্তা ছিলেন।
সেলিম ছাড়াও বক্তা তালিকায় ছিলেন আইএসএফ-র বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি, তৃণমূল সাংসদ সামিরুল ইসলামরা। যখন নওশাদ সিদ্দিকি মঞ্চে বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক তখনই মহম্মদ সেলিম হাজির হন মঞ্চে। আর তারপরেই ঘটে সেই ঘটনা। সেলিমকে দেখামাত্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রদের অনেকে বেরিয়ে যান। পরিস্থিতি সামাল দিতে নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, নিউটাউনের বাস ছেড়ে দেবে তাই ছাত্র বেরিয়ে যাচ্ছে।
advertisement
এই ঘটনার একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি News 18 Bangla। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের খোঁচা ‘সেলিমকে বয়কট’ করা হয়েছে। তবে নওশাদ সিদ্দিকিকে জানান, তিনি দেখেছেন অনেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। বাস ধরার বিষয় থাকতে পারে অনেকের। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্ররা বলছেন, মহম্মদ সেলিমের উপস্থিতিতে অসন্তুষ্ট হয়েই অনেকে অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করে দল ও শরিকদের ক্ষোভের মুখে পড়েছে সেলিম। তরুণ বামনেতা প্রতীক উর রহমান দলীয় পদ ছেড়েছেন, প্রকাশ্যে না-বললেও তাঁর নিশানা সেলিমের দিকেই। এক কথায়, দলের অন্দরে বাইরে ক্ষোভের মুখে সেলিম।
