সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং উদ্ধারকারীদের দল৷ শুরু হয় উদ্ধারকাজ৷ স্থানীয় সংবাদসংস্থা ‘Dawn’ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৬৯ জন আহতকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সের এবং দ্য পলিক্লিনিক হলসপিটাল ফর ট্রিটমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ ঘটনার পরেই জরুরি অবস্থার নির্দেশ জারি করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷
advertisement
অনলাইনে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ভিডিও সামনে এসেছে৷ দেখা যাচ্ছে, ঘটনাস্থলে থাকা মানুষজন আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি করছেন৷ ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি পুলিশের মুখপাত্র তাকি জাওয়াদ জানিয়েছেন, কী ভাবে বিস্ফোরণ হয়েছে, বিষয়টি আত্মঘাতী বোনা বিস্ফোরণ ছিল কি না, তা ফরেন্সিক তদন্তের পরেই নিশ্চিত ভাবে জানা যাবে৷
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং কর্তৃপক্ষকে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে আগত আহত ব্যক্তিদের সর্বোত্তম চিকিৎসা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জাতির মনোবলকে দুর্বল করতে পারে না। সময়ের দাবি হল আমরা সকলেই শান্তি, সহনশীলতা এবং স্থিতিশীলতার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সাথে সংহতি প্রকাশ করি।”
যদিও কোনও গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি, তবে সন্দেহ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) বা ইসলামিক স্টেট গ্রুপগুলির উপরে রয়েছে৷ সম্প্রতি বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রায় ২১৬ জন পাক সেনার নিহত হওয়ার খবর সামনে এসেছিল।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ইসলামাবাদের একটি জেলা ও দায়েরা আদালত ভবনের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছিলেন৷ তার প্রায় তিন মাস পরে ঘটল এই ঘটনা।
