৪ মার্চ প্রকাশ পেতে চলেছে অর্পণের এই কাব্যগ্রন্থ। শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনও তার পথ আটকাতে পারেনি। কঠোর পরিশ্রম এবং অদম্য মানসিক শক্তির জোরে পড়াশোনায় ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছেন তিনি। মাধ্যমিকে প্রায় ৮০ শতাংশ এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ৭৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে সফলভাবে পাশ করেছেন বাঁকুড়া জিলা স্কুল থেকে। বর্তমানে তিনি বাঁকুড়া সম্মিলনী কলেজে ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন অর্পণ। অর্পণের এই সংগ্রামী জীবনের পেছনে রয়েছে তার বাবা কালু দে এবং মা সুদীপ্তা দে-র নিরলস পরিশ্রম ও ভালবাসা।
advertisement
নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁরা ছেলেকে সাহস জুগিয়ে বড় করে তুলেছেন। অর্পণের জীবনের আর এক বড় প্রেরণা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই নেতাজিকে প্রণাম করে দিন শুরু করে সে। তার বিছানার মাথার কাছেই রাখা রয়েছে নেতাজির ছবি, আর রয়েছে নেতাজিকে নিয়ে লেখা বইয়ের একটি বড় সংগ্রহ। ভবিষ্যতে ইতিহাস নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে পিএইচডি করার স্বপ্ন দেখছেন অর্পণ। বিশেষ করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে গবেষণা করতে চান তিনি।
অর্পণ জানিয়েছেন, স্কুল জীবনে শিক্ষক মহাদেব মুখোপাধ্যায়ের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা তাকে এগিয়ে যেতে অনেকটাই সাহায্য করেছে। সেই মনোবলকে সঙ্গী করেই তিনি পড়াশোনা ও সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর স্বপ্নকে সামনে রেখে এগিয়ে চলা অর্পণের এই পথচলা ইতিমধ্যেই অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।





