তেহরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নজরদারি সক্ষম এই রাডারটি কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে স্থাপন করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে স্থাপিত এই রাডার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হত।
আইআরজিসি দাবি করেছে, সফল হামলার ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা ও মিত্র দেশগুলোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। কাতারের কিছু কর্মকর্তা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে আমেরিকা এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করেনি।
advertisement
বিশ্লেষকদের মতে, এই দাবি সত্য হলে এটি আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
এই হামলার আগে আমেরিকা ‘এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই অভিযানে বিপুল সেনা ও আধুনিক অস্ত্র মোতায়েন করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি নেতৃত্ব উভয়েই ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। মার্কিন বাহিনীর শক্তি প্রদর্শনের তালিকায় ছিল বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান—প্রতিটির মূল্য এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এছাড়া মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড (United States Central Command বা CENTCOM) জানায়, একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ‘লুকাস’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের আদলে নির্মিত বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি।
