একদিকে যখন যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প, তখন অন্যদিকে আবার পশ্চিম এশিয়ায় অন্তত আরও ১০০০ সেনা পাঠানোরও প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা৷ অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির জন্য উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সেনা মোতায়েনের প্রক্রিয়াও বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন৷
সংবাদসংস্থা এপি-র ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেই ইরানের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে আমেরিকা৷ ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান আগেই মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের প্রস্তাব দিয়েছিল৷ সূত্রের খবর, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন৷
advertisement
ইরানকে দেওয়া ১৫ দফা শর্তের মধ্যে কী কী আছে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি৷ তবে ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ অনুযায়ী, আমেরিকার ১৫ দফা শর্তের মধ্যে রয়েছে-
১. আরও বিশদে আলোচনার জন্য অন্তত এক মাসের সংঘর্ষবিরতি মানতে হবে তেহরানকে৷
২. ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতার সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে৷
৩. নতুন করে আর ইউরেনিয়াম মজুত করতে পারবে না ইরান৷
৪. হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল শুরু করার গ্যারান্টি দিতে হবে৷
৫. ইরানের কাছে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত করা রয়েছে, তা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি এজেন্সির হাতে তুলে দিতে হবে৷
৬. আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্য করা বন্ধ করতে হবে ইরানকে৷
৭. ভবিষ্যতে শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য মিসাইল ব্যবহার করবে ইরান৷
৮. নিজেদের কাছে থাকা ব্যালিস্টিক মিসাইলের ব্যবহারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ইরানকে৷
সূত্রের খবর, এই শর্তগুলি মানলে তার বদলে ইরানের উপরে চাপানো যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে আমেরিকা৷ পাশাপাশি, ইরানে অসামরিক প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য পরমাণু জ্বালানি উৎপাদনে সাহায্য করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে৷
