তবে বর্তমানে এই উদ্যানের অন্যতম আকর্ষণ হল পশ্চিমবঙ্গের সর্ববৃহৎ গোলাপ বাগান এবং জলজ উদ্ভিদের একত্রিত করে আলাদা সেকশন (অ্যাকুয়াটিক প্ল্যান্ট)। অ্যাকুয়াটিক প্ল্যান্ট এ প্রায় ৭৫ রকমের উদ্ভিদ। এর মধ্যে ২০-২৫ টি উদ্ভিদ আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু উদ্ভিদ উদ্যানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগ্রহ। বাকি প্রায় ৫০ টি জলজ উদ্ভিদ অন্যান্য স্থান থেকে সংগ্রহ করে এই প্ল্যান্টে রাখা হয়েছে। এই প্ল্যান্ট ইতিমধ্যেই যেমন সাধারণ মানুষ অর্থাৎ দর্শকদের আকর্ষিত করে। সেই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রী বা গবেষণার কাজে দারুন সুবিধা।
advertisement
এই অ্যাকুয়াটিক প্ল্যান্টে রয়েছে ভিক্টোরিয়া নিমফিয়া, হাজার পাপড়ি পদ্ম, মাখানা পানিফল সহ প্রায় ৭৫ জলজ উদ্ভিদ। এখানে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে ভিক্টোরিয়া পদ্মকে। এই প্ল্যান্টে রয়েছে ৮০ টি গোলাকার কনজারভ ট্যাংক। ভিক্টোরিয়ার জন্য বিশাল আকৃতির ট্যাংক রাখা হয়েছে। এই ট্যাংক গুলি গভীরতায় প্রায় তিন থাকে সাড়ে তিন ফুট, তার মধ্যে কাদা বা পাক দেওয়ার পর উদ্ভিদ গুলিকে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন-‘জেলের বাথরুম পরিষ্কার করতেন সলমন’, শিউরে উঠা কাহিনি ফাঁস করলেন ভাইজান
আরও পড়ুন-চোখে বাঁধা ব্যান্ডেজ, হাসপাতালে নুসরত! আচমকা কী হল নায়িকার? নেবেন কাজ থেকে বিরতি
এ প্রসঙ্গে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদ উদ্যানের জয়েন্ট ডাইরেক্টর দেবেন্দ্র সিং জানান, প্রায় ২৫ টি জলজ উদ্ভিদ যা বাগানের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে। সেগুলিকে একত্রিত করা। সেই সঙ্গে আরও ৫০টি জলজ উদ্ভিদ। এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে দারুন সুবিধা হয়েছে গবেষণার কাজে। বিশেষ করে বিভিন্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষক আসেন, বাগানের বিভিন্ন প্রান্তের জলাশয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উদ্ভিদ পর্যবেক্ষণ করতে বেশ সময় সাপেক্ষ ছিল। কিন্তু এই প্ল্যান্টে সমস্ত জলজ উদ্ভিদ এক জায়গায় যা পর্যবেক্ষণ, গবেষণার বা নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়েছে।
রাকেশ মাইতি





