এজন্য প্রশাসন ও মেলা কমিটির তরফে প্রতিটি দোকানে ফায়ার সেফটি রাখতে বলা হয়েছে। ফুড সেফটি আইন মেনে চলতে বলা হয়েছে। যাতে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে দমকলের গাড়ি যেতে পারে, সেভাবে দোকান দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হল। এ বিষয়ে হাসিমারা দমকল বিভাগের তরফে জানান হয়েছে, মেলায় যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তার সবটাই নেওয়া হয়েছে। সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে ব্যবসায়ীদের।
advertisement
আরও পড়ুনঃ কালচিনিতে পুণ্যার্থীদের ছট সামগ্রী বিতরণ করলেন সমাজসেবীরা
মেলায় বসা বিভিন্ন খাবারের দোকান গিয়ে পরিদর্শন করেন কালচিনির বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। উপস্থিত ছিলেন দমকল আধিকারিক। কালচিনির বিডিও প্রশান্ত বর্মণ জানান, "হ্যামিল্টনগঞ্জের এই ঐতিহাসিক মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন। জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে দর্শনার্থীরা আসেন এই মেলায়। খাবার খেয়ে যাতে কেউ অসুস্থ না হয়ে পড়েন।তার জন্য ব্যবসায়ীদের বোঝানো হল।"
আরও পড়ুনঃ হ্যামিল্টনগঞ্জে কালীপুজোর উদ্বোধন, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
কালচিনি ব্লক প্রশাসনের তরফে জানান হয়ে মাথায় টুপি ও হাতে গ্লাভস পড়ে খাবারের দোকান চালাতে হবে ব্যবসায়ীদের। এই নিয়ম যে মানবে না তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে কালচিনি ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানান হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি পেরিয়ে দুবছর পর কালচিনির হ্যামিল্টনগঞ্জে কালীপুজোর মেলা আয়োজিত হয়েছে। যা চলবে তেরো দিন। কালী পুজোর দিন থেকে শুরু হয়েছে এই মেলার।
Annanya Dey





