পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি অদ্ভুত সুন্দর ভূবৈচিত্র সম্পন্ন জেলা হল বাঁকুড়া। জঙ্গলমহলের বেশ কিছুটা অংশ রয়েছে এই জেলায়, রয়েছে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর, মাটির বাঁধ মুকুটমনিপুর এবং জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ ঘন জঙ্গল। বাঁকুড়া জেলার একটি বড় অংশ আদিবাসী অধ্যুষিত। বাঁকুড়া রাঢ় বাংলার একটি অংশ এবং যার প্রভাব দেখা যায় উচ্চারণে "ড়" এর ব্যবহারে। মাটির ভূপ্রকৃতি লাল হওয়ার কারনে এই জেলাকে লাল মাটির জেলা বলে। বাঁকুড়া জেলায় ঘুরে দেখার জায়গা রয়েছে বিষ্ণুপুর, শুশুনিয়া পাহাড়, মুকুটমণিপুর, বড়দি পাহাড় ইত্যাদি। বাঁকুড়ার হেরিটেজ তকমা পাওয়া মিষ্টি গুলির মধ্যে অন্যতম হল বিষ্ণুপুরের মতিচুরের লাড্ডু। বাঁকুড়ায় রয়েছে বহু ছোট বড় হস্তশিল্প যেমন ডোকরা, টেরাকোটা।


বঙ্গোপসাগর-অসমে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত, ৫০ কিমি গতিতে হাওয়া, বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি কাঁপাবে রাজ্যের পর রাজ্য
শ্রীলঙ্কা থেকে আসা লেখক ও রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টার কাছে বহুল প্রশংসা পেল ‘রেলওয়ান’ (RailOne) অ্যাপ! নজর এড়াল না হাওড়া স্টেশনের ঐতিহ্যগুলিও
ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে উত্তরবঙ্গে, রবিবার থেকে হাওয়া বদল দক্ষিণবঙ্গেও !
দেশ জুড়ে LPG-র আকাল, এবার কি তাহলে ঝাঁপ বন্ধ করতে চলেছে কলকাতার নামীদামি রেস্তোরাঁগুলিও?

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য রেল বাজেটে অনুমোদন তিন গুণেরও বেশি বেড়ে ১৪,২০৫ কোটি টাকা হয়েছে। রাজ্যের ৯টি রেলওয়ে স্টেশনের পুনর্নির্মাণের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আনারা, বরাভূম, হলদিয়া, জয়চন্ডীপাহাড় জংশন, কল্যাণী ঘোষ পাড়া, কামাখ্যাগুড়ি, পানাগড়, সিউড়ি এবং তমলুক স্টেশন






করুণাময়ী এবং ধর্মতলা থেকে পাওয়া যায় সরকারি বাস।
কলকাতা থেকে বাঁকুড়া আসতে গেলে আসা যায় ট্রেনে। হাওড়া থেকে ট্রেন ধরলে দূরত্ব ২৩০ কিলোমিটার। রয়েছে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন।