Home /News /south-bengal /
East Bardhaman News: দেওয়ালের ফাটলে সাপ, বৃষ্টিতে গলে যায় উনুন, তালপাতার ছাউনির নীচে চলছে শিশু ও প্রসূতিদের রান্না

East Bardhaman News: দেওয়ালের ফাটলে সাপ, বৃষ্টিতে গলে যায় উনুন, তালপাতার ছাউনির নীচে চলছে শিশু ও প্রসূতিদের রান্না

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দিকনগরের লক্ষ্মীগঞ্জের ৪৪  নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের চিত্রটা এমনটাই

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দিকনগরের লক্ষ্মীগঞ্জের ৪৪  নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের চিত্রটা এমনটাই

East Bardhaman News: পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দিকনগরের লক্ষ্মীগঞ্জের ৪৪  নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের চিত্রটা এমনটাই

  • Share this:

আউশগ্রাম : তালপাতার ছাউনিতে চলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের রান্না! বৃষ্টি হলে রান্না বন্ধ। দেওয়াল ফেটে গিয়েছে। সাপ ঢুকছে সেই ফাটল দিয়ে। চাঙড় খসে পড়ছে ছাদ থেকে। প্রাণের ভয়ে শিশুদের সেখানে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন অভিভাবকরা। বছরের পর বছর ধরে এভাবেই চলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দিকনগরের লক্ষ্মীগঞ্জের ৪৪  নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের চিত্রটা এমনটাই।

শিশু এবং প্রসূতি সকলকে রান্না করা খাবার দেওয়া হয় এই সুসংগত শিশু বিকাশ প্রকল্পে । সে জন্য গ্রামে গ্রামে রয়েছে আইসিডিএস সেন্টার । কিন্তু আউশগ্রামের লক্ষ্মীগঞ্জের ৪৪ নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের হাল এত খারাপ যে সেখানে আর শিশুদের পাঠাতে চাইছেন না অভিভাবকরা । আসছেন না মায়েরাও ।

গ্রামবাসীরা বলছেন,  ভাঙা দরজা, ফাটা দেওয়াল দিয়ে আইসিডিএস সেন্টারে সাপ ঢুকতে দেখেছেন তাঁরা । রান্নাঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই । তালপাতার ছাউনি দিয়ে তার নীচে চলে রান্নার কাজ। ভারী বৃষ্টিতে মাটির উনুন গলে যায়। তখন রান্নাবান্না বন্ধ থাকে। রান্না করা খাবার খাওয়া হয় না শিশু ও মায়েদের।

আরও পড়ুন : বৃষ্টি না হ‌ওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি চাষের, সমাধান নিয়ে আসরে নিমপীঠের কৃষিবিজ্ঞানীরা

প্রতিদিন ৬৫ জনের রান্না হওয়ার কথা এই কেন্দ্রে । তবে সেই রান্না করা খাবার আগ্রহ নেই অনেকেরই । গ্রামবাসীরা বলছেন,  ‘‘তালপাতার ছাউনির তলায় রান্না । সাপ টিকটিকি কখন যে কী পড়বে তার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। তাই ওই খাবার আমরা শিশুদের খেতে দিই না।’’

আরও পড়ুন :  আজব গ্রাম, এক গ্রাম রয়েছে চার থানা, তিন বিধানসভা কেন্দ্রে, কী ভাবে সম্ভব?

এই আইসিডিএস সেন্টারের সহায়িকা জানালেন,  ‘‘বৃষ্টিতে চাল, ডাল ভিজে যায়। জলে উনুন ভেসে যায়। তাই তখন রান্না করা যায় না। বসার জায়গা নাই। তাই শিশুরাও আসে না।’’

এই বিল্ডিং ভঙ্গুর হয়ে পড়ায় নতুন আইসিডিএস সেন্টার তৈরি করা হয়েছে গ্রামে। কিন্তু দু'বছর হয়ে গেলেও ঠিকাদারের পাওনা বকেয়া থাকায় সেই কেন্দ্র এখনও চালু করা যায়নি বলে অভিযোগ। খুব তাড়াতাড়ি এই আইসিডিএস সেন্টারকে নতুন বাড়িতে স্থানান্তরিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে ব্লক প্রশাসন।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: East Bardhaman

পরবর্তী খবর