বাড়ি করতে গিয়ে উদ্ধার অলঙ্কারে ঠাসা পাত্র ! গবেষণায় উঠে এল একাধিক চমকপ্রদ তথ্য
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Published by:Siddhartha Sarkar
Last Updated:
ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি। ওই দিন লক্কুন্ডি গ্রামের রিথি পরিবার নিজেদের নতুন বাড়ির ভিত্তি তৈরি করার কাজ শুরু করেছিল।
Report-SUNDARAVADIVEL: মাস কয়েক আগেই কর্ণাটকে গদাগ জেলার ঐতিহাসিক গ্রাম লক্কুন্ডিতে নতুন বাড়ির কাজ করার সময় গুপ্তধন উদ্ধার হয়েছিল। এবার সেই ঘটনায় এক চাঞ্চল্যকর মোড় এসেছে। জানা গিয়েছে যে, বাড়ির ভিত্তি খনন করার সময় অলঙ্কার ভর্তি যে ছোট্ট পাত্রটি পাওয়া গিয়েছিল, তার মধ্যে রয়েছে ৪৬৬ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না। আর ওই সমস্ত সোনার গয়নার মূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি। ওই দিন লক্কুন্ডি গ্রামের রিথি পরিবার নিজেদের নতুন বাড়ির ভিত্তি তৈরি করার কাজ শুরু করেছিল। আর সেই কাজ করার সময়ই মাটির তলায় সোনার অলঙ্কারে ঠাসা একটি ছোট্ট পাত্র পাওয়া যায়। পরে জানা যায় যে, ওই পাত্রটিতে মোট ৪৬৬ গ্রাম সোনা রয়েছে। বলাই বাহুল্য যে, এই খবর প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্য জুড়ে তীব্র আলোড়নের সৃষ্টি হয়। আর এক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, রিথি পরিবার নিজেদের ইচ্ছায় হাতে পাওয়া গুপ্তধন সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে।
advertisement
এদিকে এই বিপুল স্বর্ণ ভান্ডারের ঐতিহাসিক তাৎপর্য খুঁজে বের করার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে কর্নাটক সরকার। শিল্প সংক্রান্ত ইতিহাসবিদ, লিপি বিশারদ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই গহনাগুলি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। আর সেই গবেষণার ভিত্তিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, এই সোনার অলঙ্কারগুলি প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ বছরের পুরনো।
advertisement
advertisement
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সোনার গুপ্তধনের মোট মূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা হতে পারে। এরপরেই যাঁদের বাড়ির কাজ করতে গিয়ে ওই মূল্যবান গুপ্তধন উদ্ধার হয়েছে, সেই রিথি পরিবার গুপ্তধনের মোট মূল্যের এক-পঞ্চমাংশ অর্থাৎ প্রায় ১.৬ কোটি টাকা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেছে। এই প্রসঙ্গে অবশ্য, রাজ্যের মন্ত্রী এইচ.কে. পাটিল এবং অন্যান্যরা জানিয়েছেন যে, তাঁরা রিথি পরিবারের অনুরোধটি বিবেচনা করে দেখবেন।







