• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • 24 PARGANAS JAMTALA BHAGABAN CHANDRA HIGH SCHOOL OF KULTALI WITNESSES CORDIAL RELATIONSHIP BETWEEN HEADMASTER AND HIS STUDENTS ARC

Kultali : ‘স্যর,আমাদের ছেড়ে আপনি যাবেন না’, বদলির নির্দেশ শুনে প্রধানশিক্ষকের পা ধরে কাতর অনুরোধ ছাত্রের

এক ছাত্র প্রধানশিক্ষক শান্তনু ঘোষালের পা জড়িয়ে ধরে

শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের এই আন্তরিক ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ চব্বিশ পরগার (24 Parganas, South) কুলতলি (Kultali) অঞ্চলের জামতলা ভগবান চন্দ্র হাই স্কুলে ৷

  • Share this:

    কুলতলি : তাদের স্কুলেই থেকে যেতে হবে ৷ এই আর্জি নিয়ে প্রধানশিক্ষকের পা ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল ছাত্র ৷ শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের এই আন্তরিক ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ চব্বিশ পরগার (24 Parganas, South)  কুলতলি (Kultali) অঞ্চলের জামতলা ভগবান চন্দ্র হাই স্কুলে ৷ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক শান্তনু ঘোষাল বদলি হয়ে যাচ্ছেন-এই খবর পেয়েই অতিমারি আবহেও স্কুলে চলে আসে ছাত্রছাত্রীরা ৷

    পড়ুয়ারা প্রথমে প্রধান শিক্ষককে ঘিরে আবেদন করে ৷ তার পর বদলির নির্দেশ বাতিল করানোর দাবিতে সকলে বসে পড়ে স্কুলবাড়ির মেঝেতেই ৷ নিজের ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা তাদের বোঝানর চেষ্টা করেন শান্তনুবাবু ৷ আবেদন নিবেদনের পর্বের মধ্যেই এক ছাত্র প্রধানশিক্ষক শান্তনু ঘোষালের পা জড়িয়ে ধরে ৷ সঙ্গে অনুরোধ, তাদের ছেড়ে প্রিয় শিক্ষক যেন চলে না যান ৷

    আরও পড়ুন : সঙ্গতিহীন উত্তরেই দিশা, মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মহিলা ফিরে গেলেন তাঁর নিজের ঘরে

    গত সাত বছর ধরে জামতলা ভগবানচন্দ্র হাই স্কুলে প্রধানশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন শান্তনু ঘোষাল ৷ একান্ত পারিবারিক সমস্যার জন্য তিনি শিক্ষা দপ্তরের আবেদন জানিয়েছিলেন । বাড়ির কাছাকাছি কোনও স্কুলে তিনি শিক্ষকতা করতে চান । আবেদনে সাড়া দিয়ে শিক্ষা দপ্তর থেকে বদলির অর্ডার দেওয়া হয় ভাঙ্গড় নারায়ণপুর হাই স্কুলে।

    আরও পড়ুন : উঁচু বাড়ির সানশেডে আটকে পড়ল বিড়াল! উদ্ধার করতে গিয়ে এলাকা জুড়ে টানটান উত্তেজনা

    এই খবর পৌঁছন মাত্রই স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক ও পরিচালন কমিটি বিষয়টি জানতে পারেন । মুহূর্তের মধ্যেই খবর শুনে স্কুলে হাজির ছাত্রছাত্রীরা । প্রধান শিক্ষক শান্তনু ঘোষাল তিনি জানান একুশ  বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন । তার মধ্যে সাত বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি কাজ করছেন । শুধুমাত্র পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি তাঁর বাড়ির কাছাকাছি স্কুলে শিক্ষকতা করতে চেয়েছিলেন । কিন্তু অবশ্যই স্কুলের ছাত্র ছাত্রী ভালবাসা ও আবেগকে গুরুত্ব দিয়ে আবার নতুন করে ভাবতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    (প্রতিবেদন : অর্পণ মণ্ডল)

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: